অভিযুক্ত প্রধান
শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি
স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায়
মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের
শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে
চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা
বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি
পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে
সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে
আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। -
বৃহস্পতিবার
সকালে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট এলাকার রাজ্জাক মেমোরিয়াল
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রছাত্রীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন
করে মারাত্মক জখম করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান
রায়হানকে আটক করেছে পুলিশ। বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানিয়া
আক্তার লোপা ও আফসানা আক্তার জানায়, গত ১৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় গণিতের
ক্লাসে পাঠদান করাতে আসেন প্রধান শিক্ষক। শ্রেণীকক্ষে তিনি প্রবেশ করেই
ছাত্রছাত্রীদের কাছে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আরো এক হাজার টাকা দিতে বলেন। এ
সময় তারা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আগে ১৫শ টাকা দেয়ার কথা তাকে জানান। প্রধান
শিক্ষক এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের বীজগণিতের অঙ্ক
কষতে বলেন। চারজন ছাড়া বাকিরা না পারায় তাদের বাঁশের বেত দিয়ে বেত্রাঘাত
করতে থাকেন। এতে ছাত্রীদের শরীরে লাল-কালো দাগ হয়ে যায়। তাদের অনেকে সোজা
হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। এদিকে আহত ছাত্রছাত্রীরা পরদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না
হলে তাদের বিদ্যালয় ত্যাগের সনদ (টিসি) দেয়ারও হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক
রায়হান। শারীরিক নির্যাতনের শিকার আফসানার পিতা পোশাকশ্রমিক নাজমুল হোসেন
বনে, মেয়েকে শিক্ষিত করতে অনেক আশা নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম। স্কুলে
বাধ্যতামূলক প্রতি মাসে ৭শ টাকা দিতে হয় কোচিং বাবদ। তিনি আরো বলেন, আমার
মেয়ের মতো আরো ১০ ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষক রেজিস্ট্রেশন বাবদ আরো এক হাজার
টাকা না দেয়ায় বেত্রাঘাতে আহত করেছেন। জানা যায়, ২০০৪ সালে উত্তর গাজীরচট
এলাকার মুজিবুর রহমান ম-লের কাছ থেকে বাড়িভাড়া নিয়ে নাজিদুর রহমান রায়হান
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকেই ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার
বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ থাকলেও একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায়
অবৈধভাবে চালিয়ে যেতে থাকে স্কুলটি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে নার্সারি শ্রেণী
থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের অনেকই বিভিন্ন
সময় শিক্ষক কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রধান
শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি
স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায়
মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের
শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে
চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা
বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি
পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে
সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে
আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বৃহস্পতিবার
সকালে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট এলাকার রাজ্জাক মেমোরিয়াল
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রছাত্রীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন
করে মারাত্মক জখম করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান
রায়হানকে আটক করেছে পুলিশ। বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানিয়া
আক্তার লোপা ও আফসানা আক্তার জানায়, গত ১৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় গণিতের
ক্লাসে পাঠদান করাতে আসেন প্রধান শিক্ষক। শ্রেণীকক্ষে তিনি প্রবেশ করেই
ছাত্রছাত্রীদের কাছে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আরো এক হাজার টাকা দিতে বলেন। এ
সময় তারা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আগে ১৫শ টাকা দেয়ার কথা তাকে জানান। প্রধান
শিক্ষক এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের বীজগণিতের অঙ্ক
কষতে বলেন। চারজন ছাড়া বাকিরা না পারায় তাদের বাঁশের বেত দিয়ে বেত্রাঘাত
করতে থাকেন। এতে ছাত্রীদের শরীরে লাল-কালো দাগ হয়ে যায়। তাদের অনেকে সোজা
হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। এদিকে আহত ছাত্রছাত্রীরা পরদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না
হলে তাদের বিদ্যালয় ত্যাগের সনদ (টিসি) দেয়ারও হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক
রায়হান। শারীরিক নির্যাতনের শিকার আফসানার পিতা পোশাকশ্রমিক নাজমুল হোসেন
বনে, মেয়েকে শিক্ষিত করতে অনেক আশা নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম। স্কুলে
বাধ্যতামূলক প্রতি মাসে ৭শ টাকা দিতে হয় কোচিং বাবদ। তিনি আরো বলেন, আমার
মেয়ের মতো আরো ১০ ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষক রেজিস্ট্রেশন বাবদ আরো এক হাজার
টাকা না দেয়ায় বেত্রাঘাতে আহত করেছেন। জানা যায়, ২০০৪ সালে উত্তর গাজীরচট
এলাকার মুজিবুর রহমান ম-লের কাছ থেকে বাড়িভাড়া নিয়ে নাজিদুর রহমান রায়হান
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকেই ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার
বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ থাকলেও একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায়
অবৈধভাবে চালিয়ে যেতে থাকে স্কুলটি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে নার্সারি শ্রেণী
থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের অনেকই বিভিন্ন
সময় শিক্ষক কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। - See more at: http://ajkalerkhobor.com/2013/08/23/108151.html#sthash.pzudrBtI.trq432TN.dpuf
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। - See more at: http://ajkalerkhobor.com/2013/08/23/108151.html#sthash.pzudrBtI.trq432TN.dpuf
বৃহস্পতিবার
সকালে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট এলাকার রাজ্জাক মেমোরিয়াল
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রছাত্রীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন
করে মারাত্মক জখম করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান
রায়হানকে আটক করেছে পুলিশ। বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানিয়া
আক্তার লোপা ও আফসানা আক্তার জানায়, গত ১৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টায় গণিতের
ক্লাসে পাঠদান করাতে আসেন প্রধান শিক্ষক। শ্রেণীকক্ষে তিনি প্রবেশ করেই
ছাত্রছাত্রীদের কাছে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আরো এক হাজার টাকা দিতে বলেন। এ
সময় তারা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আগে ১৫শ টাকা দেয়ার কথা তাকে জানান। প্রধান
শিক্ষক এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের বীজগণিতের অঙ্ক
কষতে বলেন। চারজন ছাড়া বাকিরা না পারায় তাদের বাঁশের বেত দিয়ে বেত্রাঘাত
করতে থাকেন। এতে ছাত্রীদের শরীরে লাল-কালো দাগ হয়ে যায়। তাদের অনেকে সোজা
হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। এদিকে আহত ছাত্রছাত্রীরা পরদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না
হলে তাদের বিদ্যালয় ত্যাগের সনদ (টিসি) দেয়ারও হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক
রায়হান। শারীরিক নির্যাতনের শিকার আফসানার পিতা পোশাকশ্রমিক নাজমুল হোসেন
বনে, মেয়েকে শিক্ষিত করতে অনেক আশা নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম। স্কুলে
বাধ্যতামূলক প্রতি মাসে ৭শ টাকা দিতে হয় কোচিং বাবদ। তিনি আরো বলেন, আমার
মেয়ের মতো আরো ১০ ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষক রেজিস্ট্রেশন বাবদ আরো এক হাজার
টাকা না দেয়ায় বেত্রাঘাতে আহত করেছেন। জানা যায়, ২০০৪ সালে উত্তর গাজীরচট
এলাকার মুজিবুর রহমান ম-লের কাছ থেকে বাড়িভাড়া নিয়ে নাজিদুর রহমান রায়হান
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকেই ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার
বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ থাকলেও একটি প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায়
অবৈধভাবে চালিয়ে যেতে থাকে স্কুলটি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে নার্সারি শ্রেণী
থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের অনেকই বিভিন্ন
সময় শিক্ষক কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। - See more at: http://ajkalerkhobor.com/2013/08/23/108151.html#sthash.pzudrBtI.trq432TN.dpuf
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নাজিদুর রহমান রায়হান শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অষ্টম শ্রেণীর ২০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের সময় লেখাপাড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধির জন্যই বেত্রাঘাত করা হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে তো আর সব কাজ করা সম্ভব হয় না। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক বিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে, অন্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ বদরুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয় থেকে এসআই জাকারিয়া ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ খবর লেখা পর্যন্ত এক অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। - See more at: http://ajkalerkhobor.com/2013/08/23/108151.html#sthash.pzudrBtI.trq432TN.dpuf
0 comments:
Post a Comment