বাবা-মায়ের অতি শাসনের কবলে তিন মাস ধরে ফ্ল্যাটে বন্দি হয়ে পড়ে। কেড়ে নেয়া হয় মোবাইল ফোন। এতে ভীষণ হতাশ হয়ে পড়ে ঐশী। বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে ফেলে। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে অবাধ মেলামেশায় পিতা-মাতার আকস্মিক বাধা ও মাদকের নেশার ছোবলে। একপর্যায়ে আত্মহত্যা করে সকল হতাশা থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে থাকে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নিজের পিতামাতাকেই হত্যা করে সে। কোন ধরনের হতাশায় ভুগছিল ঐশী, পিতামাতার প্রতি কেন ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল সে বিষয়ে সবিস্তার বর্ণনা পাওয়া যায় তার লেখা ১২ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইডাল নোটে। ঐশীর নিজের হাতের লেখা ওই নোট এখন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে।
0 comments:
Post a Comment