Searching...

Popular Posts

Friday, August 23, 2013

শোকসভায় ছাত্রলীগের মারামারি

11:45 PM
সমাবেশের সামনে অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের শোকসভায় দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় সংবাদকর্মীসহ কমপক্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের আটটি থানা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা তিনটায় আলোচনা সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগে থেকেই বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। বেলা সোয়া তিনটার দিকে আসে শ্যামপুর থানা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মিছিল। এ সময় তাঁদের সঙ্গে সমাবেশস্থলের পেছনের দিকে অবস্থান নেওয়া কদমতলী থানা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ বাধে। উভয় পক্ষ সভাস্থলে থাকা চেয়ার নিয়ে মারামারি শুরু করে। এ সময় চার-পাঁচটি ককটেলের বিস্ফোরণ ও দুটি গুলির শব্দ শোনা যায়। মারামারি শুরু হওয়ার পর নেতা-কর্মীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। মঞ্চে থাকা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের দুজন সহসম্পাদক দৌড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান। ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান (রানা) প্রথম আলোকে বলেন, ‘দক্ষিণের সভাপতি আনিসুজ্জামানের (আনিস) অনুসারী শ্যামপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মাঈনুল ইসলাম ও তাঁর কর্মীরা এ ঘটনার জন্য দায়ী। ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় মনে হচ্ছে, পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে দক্ষিণের সভাপতি আনিসুজ্জামানের (আনিস) বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আলোচনা সভা আবার শুরু হয়। তখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বক্তব্য শুরু করলে কদমতলী থানা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দলীয় স্লোগান দিতে থাকেন। তিনি বারবার থামতে বললেও তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে সিদ্দিকী নাজমুল আলম মাইকে কদমতলী থানা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
সভা শেষে কদমতলীসহ মহানগরের আটটি থানা কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। বাকি কমিটিগুলো হলো সবুজবাগ, বংশাল, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, কোতোয়ালি, শ্যামপুর ও ডেমরা থানা কমিটি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল নেতা-কর্মীর ঔদ্ধত্যের কারণে ওই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

0 comments:

Post a Comment