মিসরের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের সর্বোচ্চ নেতা
মোহাম্মদ বাদায়িকে গ্রেফতারের সময় তার ওপর পুলিশ নির্যাতন চালিয়েছে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৭০ বছর বয়সী বাদায়িকে গত সপ্তাহে গ্রেফতার করে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার। তার আগে আটক করা হয় তার দুই উপ-প্রধান খয়রাত আশ-শাতের ও রাশাদ বাইউমিকে।
ব্রাদারহুডের আইনজীবী মোহাম্মাদ গারিয়েব বলেছেন, বাদায়িকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ তার বাসভবনে ব্যাপক ভাংচুর চালায়, তাকে লাঞ্ছিত করে এবং তার বাবা-মা তুলে গালি দেয়। পুলিশ তাকে এত বেশি মারধর করে যে তার কৃত্রিম দাঁতের পাটি খুলে মাটিতে পড়ে যায়।
এছাড়া এত বড় একটি রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ নেতাকে যেভাবে একটি চেয়ারে বসিয়ে রেখে তার ছবি ও ভিডিওচিত্র তোলা হয়, তাতে যে কারও মনে হতে পারে তিনি কোনো চুরি বা ডাকাতি মামলার আসামি। মোহাম্মাদ গারিয়েব বলেন, ব্রাদারহুডের সর্বোচ্চ নেতা বাদায়িকে আটকের সময় এবং এরপর
ক্যামেরার সামনে যতখানি অপমান করা হয়েছে, বিচার করে বহু বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলেও তিনি অতখানি লাঞ্ছিত হতেন না।
মিসরের সাম্প্রতিক সহিংসতার জন্য ব্রাদারহুডের সর্বোচ্চ নেতা মুহাম্মদ বাদায়িসহ আরও অন্তত পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতার বিচার করা হচ্ছে।
এসব অভিযুক্তের তিনজনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ উসকে দেয়ার এবং বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সবার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
মোহাম্মদ বাদায়ি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে বলেছেন, যে আদালতে তাদের বিচার হচ্ছে তার বৈধতা নেই। ব্রাদারহুড নেতাদের আইনজীবী বলেছেন, তার মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গত ৩ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হন। তারপর থেকে মুরসির সমর্থকদের ওপর সেনাবাহিনীর ভয়াবহ দমন অভিযানে অন্তত ২০০০ ব্রাদারহুড নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন।
এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য উল্টো ব্রাদারহুড নেতাদের অভিযুক্ত করে তাদের বিচার করার উদ্যোগ নিয়েছে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার।
৭০ বছর বয়সী বাদায়িকে গত সপ্তাহে গ্রেফতার করে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার। তার আগে আটক করা হয় তার দুই উপ-প্রধান খয়রাত আশ-শাতের ও রাশাদ বাইউমিকে।
ব্রাদারহুডের আইনজীবী মোহাম্মাদ গারিয়েব বলেছেন, বাদায়িকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ তার বাসভবনে ব্যাপক ভাংচুর চালায়, তাকে লাঞ্ছিত করে এবং তার বাবা-মা তুলে গালি দেয়। পুলিশ তাকে এত বেশি মারধর করে যে তার কৃত্রিম দাঁতের পাটি খুলে মাটিতে পড়ে যায়।
এছাড়া এত বড় একটি রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ নেতাকে যেভাবে একটি চেয়ারে বসিয়ে রেখে তার ছবি ও ভিডিওচিত্র তোলা হয়, তাতে যে কারও মনে হতে পারে তিনি কোনো চুরি বা ডাকাতি মামলার আসামি। মোহাম্মাদ গারিয়েব বলেন, ব্রাদারহুডের সর্বোচ্চ নেতা বাদায়িকে আটকের সময় এবং এরপর
ক্যামেরার সামনে যতখানি অপমান করা হয়েছে, বিচার করে বহু বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলেও তিনি অতখানি লাঞ্ছিত হতেন না।
মিসরের সাম্প্রতিক সহিংসতার জন্য ব্রাদারহুডের সর্বোচ্চ নেতা মুহাম্মদ বাদায়িসহ আরও অন্তত পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতার বিচার করা হচ্ছে।
এসব অভিযুক্তের তিনজনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ উসকে দেয়ার এবং বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সবার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
মোহাম্মদ বাদায়ি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে বলেছেন, যে আদালতে তাদের বিচার হচ্ছে তার বৈধতা নেই। ব্রাদারহুড নেতাদের আইনজীবী বলেছেন, তার মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গত ৩ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হন। তারপর থেকে মুরসির সমর্থকদের ওপর সেনাবাহিনীর ভয়াবহ দমন অভিযানে অন্তত ২০০০ ব্রাদারহুড নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন।
এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য উল্টো ব্রাদারহুড নেতাদের অভিযুক্ত করে তাদের বিচার করার উদ্যোগ নিয়েছে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার।
0 comments:
Post a Comment