বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত ছাত্রলীগের
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদ আল হোসেন ওরফে তুহিনকে
ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে
অস্ত্রোপচার শেষে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) রাখা
হয়েছে।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের ক্যাডাররাই গত বৃহস্পতিবার রাতে তুহিনের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে ছাত্রশিবির এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক ওয়ালিদ আহমেদ মুঠোফোনে জানান, তুহিনকে গতকাল ভোরে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাঁর শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তুহিনসহ ছাত্রলীগের চার-পাঁচজন নেতা-কর্মী মাদার বখ্শ হলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে এসে ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। তারা তুহিনের হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তাদের গুলিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক শাওন সরকার গুলিবিদ্ধ হন। শাওন অস্ত্রোপচার শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ছাড়া নগরের সোনাদীঘি মোড়ে বিক্ষোভ করে ইসলামী ব্যাংকের বুথে আগুন দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
নগরের মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবদুস সোবহান জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ জনই ভর্তি পরীক্ষার্থী। তাঁদের থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় গতকাল বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
ছাত্রশিবিরের অস্বীকার: ছাত্রলীগের নেতা তুহিনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংগঠনটি। গতকাল বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুহিনের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলম ও সেক্রেটারি সাইফুদ্দীন ইয়াহ্ইয়া।’
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের ক্যাডাররাই গত বৃহস্পতিবার রাতে তুহিনের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে ছাত্রশিবির এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক ওয়ালিদ আহমেদ মুঠোফোনে জানান, তুহিনকে গতকাল ভোরে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাঁর শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তুহিনসহ ছাত্রলীগের চার-পাঁচজন নেতা-কর্মী মাদার বখ্শ হলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে এসে ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষের বাসভবনের সামনে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। তারা তুহিনের হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তাদের গুলিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক শাওন সরকার গুলিবিদ্ধ হন। শাওন অস্ত্রোপচার শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ছাড়া নগরের সোনাদীঘি মোড়ে বিক্ষোভ করে ইসলামী ব্যাংকের বুথে আগুন দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
নগরের মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবদুস সোবহান জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ জনই ভর্তি পরীক্ষার্থী। তাঁদের থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় গতকাল বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
ছাত্রশিবিরের অস্বীকার: ছাত্রলীগের নেতা তুহিনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংগঠনটি। গতকাল বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুহিনের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলম ও সেক্রেটারি সাইফুদ্দীন ইয়াহ্ইয়া।’
0 comments:
Post a Comment