জেরার
মুখে টুন্ডা জানান, মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের জাল নোটের বিশাল বড়
কারখানার মূল কাজকর্ম দেখাশোনা করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই)।
সেই জাল নোটের কারখানায় ভারতের টাকা জাল করা হয়। প্রতি বছর ১৬০০ কোটি
ভারতীয় টাকা ছাপানো হয় সেই জাল নোট তৈরির কারখানায়।
সেই সঙ্গে টুন্ডার দাবি, আইএসআইএয়ের সহায়তায় জাল ভারতীয় নোট পাচারের কাজ করতেন তিনি। জেরায় বেশ কয়েকজন আইএসআই অফিসারের নামও বলেছে টুন্ডা। এদের মধ্যে দুই জন আইএসআই মেজরও রয়েছেন।
দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা ফের স্বীকার করেছেন টুন্ডা। এই লস্কর নেতার দাবি, বিভিন্ন কাজের জন্য দাউদের থেকে প্রায়ই অর্থ সাহায্য পেত টুন্ডা। দাউদ নিজে হাতেই তাকে টাকা দিত বলে জেরায় জানিয়েছে টুন্ডা।
এ ছাড়া টুন্ডা বলেন, তিনি ১২ বছর বয়সে প্রথম বোমা বাঁধতে শুরু করেন।
শনিবার ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে ধরা পড়ার পর পুলিসি হেফাজতে ধীরে ধীরে মুখ খুলছেন লস্করের মূল মাথা টুন্ডা৷ তাকে জেরা করেই গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন করাচিতে রীতিমতো সরকারি আতিথেয়তায় বসবাস করছেন দাউদ৷ তার নিরাপত্তার জন্য আইএসআই-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে৷ তবে পাকিস্তানে দাউদের চলাফেরায় বিধিনিষেধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন টুন্ডা৷ সূত্র: জিনিউজ
0 comments:
Post a Comment