পুঠিয়া-দুর্গাপুরের স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারাকে ঢিল
ছুঁড়েছে—এমন সন্দেহে ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবাকে বাড়ি
থেকে ধরে এনে পিটিয়েছেন রাজশাহীর পুঠিয়ার আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ওই বাবাকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করান। আহত ওই বাবার নাম আব্দুল
ওয়াহেদ। তার ছেলের নাম বুলবুল হোসেন। বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ গত সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধোপাপাড়া বাজারে গণসংযোগ করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি একটি দোকানের বারান্দায় বসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কথা বলছিলেন। এ সময় ওই বারান্দার টিনের চালায় দুটি ইটের ঢিল এসে পড়ে। এতে বিকট শব্দ হয়।
এ ঘটনার পর এমপি কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘটনাটি স্থানীয় যুবক বুলবুল হোসেন ঘটাতে পারে—এমন সন্দেহে ধোপাপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল্লাহ ওরফে ঝাটু কসাইয়ের নেতৃেত্ব নেতাকর্মীরা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে তাকে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা আব্দুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালের ছয় নম্বর ওয়ার্ডে চিকিত্সাধীন আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ভাতের থালার পাশ থেকে তুলে এনে তাকে পাইপ ও লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার পর পর পুলিশ তার ছেলেকে (বুলবুল) ধরতে এসেছিল। কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ পায়নি। তার ছেলে ওই সময় ভাত খাচ্ছিল। হাতে ভাতের এঁটো ছিল। দেখে পুলিশ ছেড়ে দিয়ে যায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজন এসে ছেলেকে না পেয়ে তাকেই নির্যাতন করে।
এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ধোপাপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল্লাহ ওরফে ঝাটু বলেন, এমপির গায়ে ঢিল লাগেনি, কিন্তু এতে ধোপাপাড়া গ্রামের মানুষের ইজ্জত গেছে। ওরা এই এলাকার সন্ত্রাসী। এ জন্য ওদের শাস্তি দিয়েছি। এতে বিএনপিও খুশি, আওয়ামী লীগও খুশি। ওর ছেলে এখনও বাড়িতে ঢুকতে পারেনি। ঢুকলে আবার শাস্তি দেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ গত সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধোপাপাড়া বাজারে গণসংযোগ করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি একটি দোকানের বারান্দায় বসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কথা বলছিলেন। এ সময় ওই বারান্দার টিনের চালায় দুটি ইটের ঢিল এসে পড়ে। এতে বিকট শব্দ হয়।
এ ঘটনার পর এমপি কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘটনাটি স্থানীয় যুবক বুলবুল হোসেন ঘটাতে পারে—এমন সন্দেহে ধোপাপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল্লাহ ওরফে ঝাটু কসাইয়ের নেতৃেত্ব নেতাকর্মীরা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে তাকে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা আব্দুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালের ছয় নম্বর ওয়ার্ডে চিকিত্সাধীন আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ভাতের থালার পাশ থেকে তুলে এনে তাকে পাইপ ও লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার পর পর পুলিশ তার ছেলেকে (বুলবুল) ধরতে এসেছিল। কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ পায়নি। তার ছেলে ওই সময় ভাত খাচ্ছিল। হাতে ভাতের এঁটো ছিল। দেখে পুলিশ ছেড়ে দিয়ে যায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজন এসে ছেলেকে না পেয়ে তাকেই নির্যাতন করে।
এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ধোপাপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল্লাহ ওরফে ঝাটু বলেন, এমপির গায়ে ঢিল লাগেনি, কিন্তু এতে ধোপাপাড়া গ্রামের মানুষের ইজ্জত গেছে। ওরা এই এলাকার সন্ত্রাসী। এ জন্য ওদের শাস্তি দিয়েছি। এতে বিএনপিও খুশি, আওয়ামী লীগও খুশি। ওর ছেলে এখনও বাড়িতে ঢুকতে পারেনি। ঢুকলে আবার শাস্তি দেব।
0 comments:
Post a Comment