কক্সবাজারের টেকনাফে অবাধে চলছে জাটকা নিধন। এসব জাটকা উপজেলার বিভিন্ন
হাটবাজারে দেদারছে বিক্রি হলেও স্থানীয় প্রশাসন কোনো ধরনের ব্যবস্থা
নিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, সাগর ও নাফ নদীতে অবাধে জাটকা ইলিশ নিধন করায় বড় ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে।
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ট্রলারমালিক দিল মোহাম্মদ ও মুহিব উল্লাহ বলেন, এখন সাগর ও নাফ নদীতে জাটকা বেড়ে গেছে। নিধনবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জাটকা শিকারের হার বেড়ে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলার হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভার বড় বাজার, বাসস্টেশন বাজার, শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, শামলাপুর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং বাজার ও ফিশারিজ ঘাটের আড়তগুলোতে অবাধে জাটকা বেচাকেনা হচ্ছে। এসব জাটকা প্রতি কেজি ২৫০-৩৫০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘৩০০ গ্রাম ওজনের জাটকা ধরায় আমরা বড় ইলিশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অবাধে জাটকা ধরা অব্যাহত থাকায় মা ইলিশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এতে ইলিশের বংশবিস্তার আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে।’
মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, সাগর ও নাফ নদীতে অবাধে জাটকা নিধন রোধে জেলেদের জন্য ভাতাসহ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার একটি প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু কক্সবাজার জেলা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই জেলেদের এই প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা ছৈয়দ হুমায়ুন মোরশেদ বলেন, স্থানীয় জেলেরা আর্থিক সংকটের কারণে জাটকা নিধন করছেন। তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী উখিয়া উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় সঠিকভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় প্রতিনিয়ত বাজার ও এলাকা মনিটরিং করা সম্ভব হচ্ছে না।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, সাগর ও নাফ নদীতে অবাধে জাটকা ইলিশ নিধন করায় বড় ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে।
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ট্রলারমালিক দিল মোহাম্মদ ও মুহিব উল্লাহ বলেন, এখন সাগর ও নাফ নদীতে জাটকা বেড়ে গেছে। নিধনবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জাটকা শিকারের হার বেড়ে গেছে।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলার হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভার বড় বাজার, বাসস্টেশন বাজার, শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, শামলাপুর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং বাজার ও ফিশারিজ ঘাটের আড়তগুলোতে অবাধে জাটকা বেচাকেনা হচ্ছে। এসব জাটকা প্রতি কেজি ২৫০-৩৫০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘৩০০ গ্রাম ওজনের জাটকা ধরায় আমরা বড় ইলিশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অবাধে জাটকা ধরা অব্যাহত থাকায় মা ইলিশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এতে ইলিশের বংশবিস্তার আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে।’
মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, সাগর ও নাফ নদীতে অবাধে জাটকা নিধন রোধে জেলেদের জন্য ভাতাসহ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার একটি প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু কক্সবাজার জেলা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই জেলেদের এই প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা ছৈয়দ হুমায়ুন মোরশেদ বলেন, স্থানীয় জেলেরা আর্থিক সংকটের কারণে জাটকা নিধন করছেন। তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী উখিয়া উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় সঠিকভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় প্রতিনিয়ত বাজার ও এলাকা মনিটরিং করা সম্ভব হচ্ছে না।
0 comments:
Post a Comment