উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে চলমান শিক্ষক আন্দোলনের কারণে জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। চার মাসেরও বেশি
সময় ধরে চলা এই আন্দোলনের ফলে ক্লাস-পরীক্ষা প্রায় এক মাস বন্ধ ছিল।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই অবস্থা চলতে থাকলে সেশনজট তীব্র আকার ধারণ করবে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন আন্দোলনে নামার চিন্তাভাবনা করছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের অবরোধের মুখে উপাচার্য আনোয়ার হোসেন গত বুধবার দুপুর ১২টা থেকে গতকাল শুক্রবার রাত একটা পর্যন্ত টানা ৬১ ঘণ্টা নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ রয়েছেন। রাত একটায় এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও আন্দোলনরত শিক্ষকেরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে সাধারণ শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক মুহম্মদ হানিফ আলী জানিয়েছেন, শিক্ষাসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ বিকেল পাঁচটায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। আন্দোলনরত শিক্ষক ফোরাম ও শিক্ষক সমিতির ১২ জন প্রতিনিধি এ বৈঠকে অংশ নেবেন।
উপাচার্য আনোয়ার হোসেন পদত্যাগ না করার ব্যাপারে তাঁর অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলন অযৌক্তিক, অবৈধ ও অনৈতিক। তাঁরা যত দিন পারেন অবরোধ করুন, আমি পদত্যাগ করব না।’ তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আন্দোলনকারীরা ক্লাসে ফিরে যাবেন।
শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির: গত ৬ এপ্রিল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় ১৪ এপ্রিল থেকে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষক সমিতি। ২৮ এপ্রিল থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন শিক্ষকেরা। তখন টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল। এরপর বিভিন্ন সময়ে ডাকা ধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল আরও এক সপ্তাহ। এ ছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং ১ ও ২ আগস্ট শিক্ষকদের বাসায় হামলার ঘটনায় প্রায় এক সপ্তাহ ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বিভিন্ন সময় দুটি একাডেমিক কাউন্সিল, একটি বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ এবং চারটি সিন্ডিকেট সভা না হওয়ায় ৪৫ জনের এমফিল এবং পিএইচডিতে ভর্তি কার্যক্রম আটকে আছে এবং ৭০টি পিএইচডি গবেষণা মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে দুই থেকে তিন মাস এবং এমফিল/পিএইচডি ছয় মাস থেকে এক বছর সেশনজটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
চলতি ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি-প্রক্রিয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য গত বৃহস্পতিবার ভর্তি কমিটির সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আন্দোলনের কারণে তা হতে পারেনি। ভর্তি পরীক্ষার অন্যান্য প্রস্তুতিও আটকে আছে।
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো আজ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে তাঁরা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়ি: আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা গতকাল উপাচার্যের আত্মীয় এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেন। সকালে উপাচার্যের স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও উপাচার্যের বোনসহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে গেলে আন্দোলনকারী শিক্ষক শাহেদুর রশিদ তাঁদের ভেতরে যেতে বাধা দেন। অবশ্য পরে অন্য কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
উপাচার্যের স্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, আনোয়ার হোসেনের বয়স ৬৪। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে তিনি আক্রান্ত। তাঁকে প্রতিদিন ১৪টি ওষুধ খেতে হয় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন তাঁকে হাঁটতে হয়। অবরুদ্ধ থাকার কারণে তিনি এসব করতে পারছেন না। এটা খুবই অমানবিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে এ আচরণ অপ্রত্যাশিত।
শাহেদুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপাচার্যের স্ত্রীকে বৃহস্পতিবারও আমরা দেখা করতে দিয়েছি। কিন্তু উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই আজ (শুক্রবার) চলে আসেন। তাই ওনাদের বসতে বলে নিজেদের মধ্যে কথা বলে তারপর উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করতে দিয়েছি।’
নতুন ছয় অভিযোগ: উপাচার্যের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষক ফোরামের নতুন ছয়টি অভিযোগ হলো উপাচার্যের ইন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক রিট করা, ধর্মঘটরত শিক্ষকদের অপমানজনকভাবে মাড়িয়ে উপাচার্যের প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ, সাবেক সহ-উপাচার্য মো. ফরহাদ হোসেন উপাচার্যের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন, তার জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়া, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শ্রেণীসংকট দূর না করা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনা শিক্ষক সমিতির অভিযোগগুলো রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া ও শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন।
এদিকে প্রগতিশীল শিক্ষকদের অংশ শিক্ষক মঞ্চ রাষ্ট্রপতি ও আচার্য আবদুল হামিদের কাছে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বর্তমান পরিস্থিতিতে আচার্য হিসেবে তাঁর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। তবে যাতে স্বায়ত্তশাসন খর্ব না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতেও আচার্যকে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষক মঞ্চ।
গত বছরের ১ ও ২ আগস্ট শিক্ষকদের বাড়িতে হামলার বিচার না হওয়া, শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার না হওয়াসহ ১২ দফা দাবিতে এই আন্দোলন চলছে।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই অবস্থা চলতে থাকলে সেশনজট তীব্র আকার ধারণ করবে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে কয়েকটি ছাত্রসংগঠন আন্দোলনে নামার চিন্তাভাবনা করছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের অবরোধের মুখে উপাচার্য আনোয়ার হোসেন গত বুধবার দুপুর ১২টা থেকে গতকাল শুক্রবার রাত একটা পর্যন্ত টানা ৬১ ঘণ্টা নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ রয়েছেন। রাত একটায় এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও আন্দোলনরত শিক্ষকেরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে সাধারণ শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক মুহম্মদ হানিফ আলী জানিয়েছেন, শিক্ষাসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ বিকেল পাঁচটায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। আন্দোলনরত শিক্ষক ফোরাম ও শিক্ষক সমিতির ১২ জন প্রতিনিধি এ বৈঠকে অংশ নেবেন।
উপাচার্য আনোয়ার হোসেন পদত্যাগ না করার ব্যাপারে তাঁর অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলন অযৌক্তিক, অবৈধ ও অনৈতিক। তাঁরা যত দিন পারেন অবরোধ করুন, আমি পদত্যাগ করব না।’ তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আন্দোলনকারীরা ক্লাসে ফিরে যাবেন।
শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির: গত ৬ এপ্রিল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় ১৪ এপ্রিল থেকে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষক সমিতি। ২৮ এপ্রিল থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেন শিক্ষকেরা। তখন টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল। এরপর বিভিন্ন সময়ে ডাকা ধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল আরও এক সপ্তাহ। এ ছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং ১ ও ২ আগস্ট শিক্ষকদের বাসায় হামলার ঘটনায় প্রায় এক সপ্তাহ ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বিভিন্ন সময় দুটি একাডেমিক কাউন্সিল, একটি বোর্ড অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ এবং চারটি সিন্ডিকেট সভা না হওয়ায় ৪৫ জনের এমফিল এবং পিএইচডিতে ভর্তি কার্যক্রম আটকে আছে এবং ৭০টি পিএইচডি গবেষণা মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে দুই থেকে তিন মাস এবং এমফিল/পিএইচডি ছয় মাস থেকে এক বছর সেশনজটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
চলতি ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি-প্রক্রিয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য গত বৃহস্পতিবার ভর্তি কমিটির সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আন্দোলনের কারণে তা হতে পারেনি। ভর্তি পরীক্ষার অন্যান্য প্রস্তুতিও আটকে আছে।
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো আজ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে তাঁরা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়ি: আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা গতকাল উপাচার্যের আত্মীয় এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেন। সকালে উপাচার্যের স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও উপাচার্যের বোনসহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে গেলে আন্দোলনকারী শিক্ষক শাহেদুর রশিদ তাঁদের ভেতরে যেতে বাধা দেন। অবশ্য পরে অন্য কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
উপাচার্যের স্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, আনোয়ার হোসেনের বয়স ৬৪। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে তিনি আক্রান্ত। তাঁকে প্রতিদিন ১৪টি ওষুধ খেতে হয় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন তাঁকে হাঁটতে হয়। অবরুদ্ধ থাকার কারণে তিনি এসব করতে পারছেন না। এটা খুবই অমানবিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে এ আচরণ অপ্রত্যাশিত।
শাহেদুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘উপাচার্যের স্ত্রীকে বৃহস্পতিবারও আমরা দেখা করতে দিয়েছি। কিন্তু উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই আজ (শুক্রবার) চলে আসেন। তাই ওনাদের বসতে বলে নিজেদের মধ্যে কথা বলে তারপর উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করতে দিয়েছি।’
নতুন ছয় অভিযোগ: উপাচার্যের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষক ফোরামের নতুন ছয়টি অভিযোগ হলো উপাচার্যের ইন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক রিট করা, ধর্মঘটরত শিক্ষকদের অপমানজনকভাবে মাড়িয়ে উপাচার্যের প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ, সাবেক সহ-উপাচার্য মো. ফরহাদ হোসেন উপাচার্যের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন, তার জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়া, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শ্রেণীসংকট দূর না করা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনা শিক্ষক সমিতির অভিযোগগুলো রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া ও শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন।
এদিকে প্রগতিশীল শিক্ষকদের অংশ শিক্ষক মঞ্চ রাষ্ট্রপতি ও আচার্য আবদুল হামিদের কাছে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বর্তমান পরিস্থিতিতে আচার্য হিসেবে তাঁর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। তবে যাতে স্বায়ত্তশাসন খর্ব না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতেও আচার্যকে আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষক মঞ্চ।
গত বছরের ১ ও ২ আগস্ট শিক্ষকদের বাড়িতে হামলার বিচার না হওয়া, শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার না হওয়াসহ ১২ দফা দাবিতে এই আন্দোলন চলছে।
0 comments:
Post a Comment