Searching...

Popular Posts

Monday, August 19, 2013

পড়ার টেবিল থেকে ডিসকো বারে : অতঃপর মা বাবার ঘাতক ঐশী

2:19 AM
কথায় আছে ‘সত্সঙ্গে স্বর্গবাস অসত্সঙ্গে সর্বনাশ’। অসত্সঙ্গই পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের মেয়ে ঐশীর জীবনে সর্বনাশ ডেকে এনেছে। পড়ার টেবিল থেকে টেনে নিয়ে গেছে রাজধানীর অভিজাতপল্লীর ডিসকো বার এবং হেরোইন ও ইয়াবার জগতে।
বখে যাওয়া এই মেয়ে অনেক আগেই মাহফুজুর রহমান দম্পতির ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। আদরের সন্তান ঐশীকে উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন থেকে ফেরাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালান মমতাময়ী মা, সঙ্গে স্নেহবান বাবা। কিন্তু সব চেষ্টাই বিফলে যায়। অবশেষে বাধ্য হয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান মেয়ের একা ঘর থেকে বের হওয়ার ওপর কয়েক মাস আগে কড়াকড়ি আরোপ করেন। এর খেসারত হিসেবেই সস্ত্রীক জীবন দিতে হল তাকে।  জানা গেছে, ঐশী দুই বছর ধরে পড়ালেখা বাদ দিয়ে বয়ফ্রেন্ডদের সঙ্গে হেরোইন, ইয়াবাসেবন এবং ঢাকার ডিজে পার্টি ও ডিসকো বারে সময় কাটাতেন। বাবা-মা খুন হওয়ার পরও গতকাল তার গুলশানে একটি ডিসকো বারে যাওয়ার কথা ছিল বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে না গিয়ে নিজের নিরাপত্তার   কথা চিন্তা করে চলে যান সোজা পল্টন থানায়। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তাদের বলেন, হঠাত্ করে তার ভেতরে এই ভয় ঢোকে যে, তাকে মেরে ফেলা হতে পারে। যে কারণে ডিসকোতে না গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা ঐশীর উচ্ছৃঙ্খল জীবনের সঙ্গী ৭ বয়ফ্রেন্ডের সন্ধান পেয়েছেন। যাদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত হেরোইন ও ইয়াবা সেবন করতেন। এছাড়া দৈহিক মেলামেশাও হত তাদের মধ্যে। মেয়েটির মোবাইল ফোন ঘেঁটে পুলিশ কর্মকর্তারা যেসব ক্ষুদেবার্তা পেয়েছেন তার বেশিরভাগই নেশার জগতের নানা বার্তা। কার সঙ্গে সময় কাটিয়ে কী ধরনের আনন্দ পেয়েছে— বেশ কয়েকটি ক্ষুদেবার্তায় সেসব কথাও পাওয়া গেছে। গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঐশী তার উচ্ছৃঙ্খল জীবনের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন। পুলিশ এখন সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবনের কুশীলবদেরই  খুঁজছে।

0 comments:

Post a Comment