এদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ খবরের প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে ঘঁনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইট ও ব্লগে এনিয়ে তোলপাড় চলে। এক সঙ্গে এতগুলো কঙ্কাল ও হাড়গোড় কোথা থেকে আসলো তা নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেন।
পরিচ্ছন্নকর্মী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোর পৌনে ৬টায় ডেমরার মাতুয়াইল মৃধাবাড়ির ঢাকা সিটি করপোরেশনের ময়লার ডাম্পিং স্টেশনে কয়েকজন টোকাই মানুষের খণ্ডিত অংশের হাড়গোড় ও খুলি দেখতে পায়। পরে তারা সেখানে কর্মরত পরিচ্ছন্নকর্মীদের জানায়। পরিচ্ছন্নকর্মীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে পুলিশের অপরাধ বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মানুষের খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করে ডিএনএ করার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠান। সাতটি বস্তার মধ্য থেকে পা, মাথাসহ মানব দেহের বিভিন্ন খণ্ডিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় আনসার কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম জানান।
খবরটি আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। এতে সেখানে মানুষের বিরাট জটলা বাধে। পরে পুলিশ ও র্যাবের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্সুক মানুষকে সরিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে উত্কট দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। দুর্গন্ধের কারণে সেখানে হাড়গোড়গুলো উদ্ধার করতে গিয়ে ক্রাইম সিনের সদস্যদের বেগ পেতে হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন এস এম জাভেদ ইকবাল সাংবাদিকদের জানান, সকালে টোকাইরা বর্জ্যের স্তূপ থেকে কয়েকটি বস্তার মধ্যে হাড়গোড় দেখতে পায়। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীরা পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বস্তাবন্দি হাড়গোড়গুলো উদ্ধার করে।
উদ্ধার করা অংশগুলোর ডিএনএ করলে বোঝা যাবে এসব হাড়গোড় কতজন মানুষের। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা হবে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, উদ্ধার করা হাড়গোড়গুলো কতজন মানুষের তা ডিএনএ করে জানা যাবে বলে তিনি জানান।
0 comments:
Post a Comment