Searching...

Popular Posts

Wednesday, August 28, 2013

সিআইএ’র গোপন নথি : ইরানে সাদ্দামের গ্যাস হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের হাত ছিল

3:22 AM
ইরানে যুদ্ধের সময় দেশটির জনগণের ওপর ইরাকের চালানো রাসায়নিক অস্ত্রের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের হাত ছিল। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সদ্য প্রকাশিত এক গোপন নথি থেকে একথা জানা গেছে। ১৯৮০-৮৮ সালের ইরাক-ইরান যুদ্ধে ইরাকের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ইরানে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ গ্যাস হামলা চালাতে যাচ্ছেন জেনেও যুক্তরাষ্ট্র তাকে সে সুযোগ করে দিয়েছে।
১৯৮৮ সালের শুরুর দিকে ইরানে চারটি বড় ধরনের হামলার আগে মাস্টার্ড গ্যাস এবং সারিন গ্যাস হামলা চালানো হয়। এ কাজে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরাককে স্যাটেলাইট ইমেজ ও মানচিত্রসহ আরো বহু গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে বলে জানিয়েছে ফরেন পলিসি ম্যাগাজিন।
স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে ইরাককে ঘায়েল করতে ইরানের যুদ্ধকৌশল জেনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানি সেনাদের অবস্থান জানিয়ে দেয় ইরাককে। সাদ্দাম হোসেন ইরানে সারিন গ্যাসসহ মারাত্মক নার্ভ গ্যাস হামলা চালাতে যাচ্ছেন জেনেও যুক্তরাষ্ট্র এ সহযোগিতা করে।
আজকের দিনে সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে। অথচ এক প্রজন্ম আগের ওই যুদ্ধে ইরানে সাদ্দামের রাসায়নিক হামলার কথা জেনেও যুক্তরাষ্ট্র কিছুই করেনি।
ইরানের ওপর ইরাকের রাসায়নিক হামলায় সহযোগিতার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র কখনো স্বীকার করেনি। কিন্তু ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরাকে মার্কিন সামরিক অ্যাটাচের দায়িত্ব পালনকারী সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা কর্নেল রিক ফ্রাঙ্কোনা ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনে বলেন, ‘ইরাক কখনো আমাদের বলেনি তারা নার্ভ গ্যাস ব্যবহার করতে চায়। তাদের কাছে ছিলও না। কিন্তু আমরা ব্যাপারটা জানতাম।’
ফ্রাঙ্কোনার মতো সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাক্ষাত্কার এবং সিআইএ’র সাম্প্রতিক গোপন নথিতে দেখা গেছে, ১৯৮৩ সালে ইরানে ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্র হামলা শুরুর অকাট্য প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আছে।
সিআইএ অতিগোপনে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব তথ্য-প্রমাণই ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছিল। ইরান সে সময় ইস্যুটিকে জাতিসংঘে তোলার চেষ্টা করলেও যুক্তরাষ্ট্র তখন ওইসব তথ্য গোপন রেখে ইরানের সে চেষ্টায়

0 comments:

Post a Comment