ও গৃহকর্মী সুমিকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে দু’জনে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাত তার খাস কামরায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। শনিবার বেলা ২টায় জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়ে চলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এর আগে রিমান্ড শেষে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঐশী, সুমি এবং ঐশীর বন্ধু রনিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ঐশী দোষ স্বীকার করতে রাজি হওয়ায় তাকে আদালতে আনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডের চামেলিবাগে নিজ বাসা থেকে পুলিশ দম্পতির লাশ উদ্ধার করে করা হয়। ওই হত্যাকান্ডের পর তাদের মেয়ে ঐশী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিল। পরদিন সে পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করে। এরই মধ্যে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এদিকে রিমান্ডে নেয়ার ঘটনায় বিতর্ক দেখা দিলে গত বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগে ঐশী ও কাজের মেয়ে সুমির সঠিক বয়স নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করা হয়।
0 comments:
Post a Comment