কক্সবাজার প্রতিনিধি: নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে টানা দুদিনের হরতালের
প্রথম দিনে কক্সবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ধাওয়ায় জিপ উল্টে এক
ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরো সাতজন।
নিহত হামিদুল হক (৪০) কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া এলাকার মাস্টার পাড়ার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে।
মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খরুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানার ওসি জসীম উদ্দিন।
তিনি জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে চোরাগুপ্তা চালায় জামায়াত-শিবিরকর্মীরা। তারা প্রায় ১০টি যানবাহন ভাংচুর করে, যার মধ্যে খরুলিয়াতেই ৫টি গাড়ি ভাংচুর হয়েছে।
ওসি জসীম বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল জামায়াত-শিবির কর্মী কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কে অবস্থান নিয়ে যানবাহনে হামলা শুরু করলে পালাতে গিয়ে একটি জীপ উল্টে গেলে ঘটনাস্থলেই হামিদুলের মৃত্যু হয়।”
আহতরা হলেন- রামুর রাজারকুল ইউনিয়নের রমিজ আহমদ (৪৫), নুরুল আলম (৪০), তার কন্যা নাজমা (৮), খরুলিয়ার মোহাম্মদ শফি (৭০), রামুর উত্তর মিঠাছড়ির নুর আহমদ (২৪), জীপের চালক রামুর মেরুংলোয়া এলাকার শুভংকর বড়ুয়া (৩০) ও চার মাস বয়সী শিশু রিয়ান।
হতাহতের সবাইকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এঘটনায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচ জামায়াত-শিবিরকর্মীকে আটক করেছে বলেও জানা তিনি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার জানান, হামিদুলের মৃত্যুর ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত হামিদুল হক (৪০) কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া এলাকার মাস্টার পাড়ার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে।
মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খরুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর থানার ওসি জসীম উদ্দিন।
তিনি জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও সন্ধ্যার পর বিভিন্ন স্থানে চোরাগুপ্তা চালায় জামায়াত-শিবিরকর্মীরা। তারা প্রায় ১০টি যানবাহন ভাংচুর করে, যার মধ্যে খরুলিয়াতেই ৫টি গাড়ি ভাংচুর হয়েছে।
ওসি জসীম বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল জামায়াত-শিবির কর্মী কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়কে অবস্থান নিয়ে যানবাহনে হামলা শুরু করলে পালাতে গিয়ে একটি জীপ উল্টে গেলে ঘটনাস্থলেই হামিদুলের মৃত্যু হয়।”
আহতরা হলেন- রামুর রাজারকুল ইউনিয়নের রমিজ আহমদ (৪৫), নুরুল আলম (৪০), তার কন্যা নাজমা (৮), খরুলিয়ার মোহাম্মদ শফি (৭০), রামুর উত্তর মিঠাছড়ির নুর আহমদ (২৪), জীপের চালক রামুর মেরুংলোয়া এলাকার শুভংকর বড়ুয়া (৩০) ও চার মাস বয়সী শিশু রিয়ান।
হতাহতের সবাইকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এঘটনায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচ জামায়াত-শিবিরকর্মীকে আটক করেছে বলেও জানা তিনি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার জানান, হামিদুলের মৃত্যুর ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
0 comments:
Post a Comment