রাজধানীর পৃথক স্থানে দুজন খুন ও ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক ব্যবসায়ী আহত
হয়েছেন। ডেমরা এলাকায় গতকাল ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সবুজ (১৫)
নামের এক গার্মেন্টকর্মী নিহত হয়েছে। অন্যদিকে কদমতলী এলাকায় গতকাল রানা
(৩২) নামে অপর এক গার্মেন্ট শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে
পরিবার ও পুলিশের ধারণা, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এদিকে
শ্যামপুর এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে শহিদুল ইসলাম (৫০) নামের এক কাপড়
ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে আড়াই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সকাল
সাড়ে ৭টার দিকে ডেমরার সাইনবোর্ড এলাকার রগুনাথপুরে বাসায় ফেরার পথে তিন
ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। এসময় তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে
নেয়ার চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। তখন ছিনতাইকারীরা তাকে
এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে পালিয়ে
যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে প্রথমে একটি একটি হাসপাতালে, পরে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের চিকিত্সক তাকে মৃত
ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ডেমরা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওই
হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ
ব্যাপারে ডেমরা থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান নিহতের
বড় ভাই শফিউর রহমান।
অন্যদিকে কদমতলীর মুরাদপুর হাইস্কুলের পাশে ১৬১ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত রানা। বিকাল ৩টায় পরিবারের সদস্যরা তাকে ওই বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ছেলে লিমন সাংবাদিকদের জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১টায় তার বাবার পূর্বপরিচিত ক’জন ব্যক্তি তাদের বাসায় আসে। তাদের সঙ্গে বাবার বাকবিতণ্ডা হয়। বাবাকে মারধর করে তারা। তবে এরপর সে আর কিছু মনে করতে পারছে না বলে জানায়।
এ ব্যাপারে কদমতলী থানার এসআই মো. শাহিন জানান, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। নিহত রানা সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিল। তার হাত পেছন থেকে বাঁধা ছিল। তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যার পর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রানার বাবার নাম আবদুল লতিফ। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব এলাকায়।
এদিকে শহিদুলের ছোট ভাই আবদুর রব সাংবাদিকদের জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলার পাগলা এলাকার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শ্যামপুরের লালমসজিদের সামনে পৌঁছালে ৪-৫ অজ্ঞাত ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে এবং এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে তারা শহিদুলের সঙ্গে থাকা আড়াই লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরে সেখানকার চিকিত্সকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হবে তিনি জানান।
অন্যদিকে কদমতলীর মুরাদপুর হাইস্কুলের পাশে ১৬১ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত রানা। বিকাল ৩টায় পরিবারের সদস্যরা তাকে ওই বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ছেলে লিমন সাংবাদিকদের জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১টায় তার বাবার পূর্বপরিচিত ক’জন ব্যক্তি তাদের বাসায় আসে। তাদের সঙ্গে বাবার বাকবিতণ্ডা হয়। বাবাকে মারধর করে তারা। তবে এরপর সে আর কিছু মনে করতে পারছে না বলে জানায়।
এ ব্যাপারে কদমতলী থানার এসআই মো. শাহিন জানান, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। নিহত রানা সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিল। তার হাত পেছন থেকে বাঁধা ছিল। তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যার পর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রানার বাবার নাম আবদুল লতিফ। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব এলাকায়।
এদিকে শহিদুলের ছোট ভাই আবদুর রব সাংবাদিকদের জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলার পাগলা এলাকার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শ্যামপুরের লালমসজিদের সামনে পৌঁছালে ৪-৫ অজ্ঞাত ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে এবং এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে তারা শহিদুলের সঙ্গে থাকা আড়াই লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরে সেখানকার চিকিত্সকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হবে তিনি জানান।
0 comments:
Post a Comment