শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বৃহস্পতিবার ভোররাতে একটি হত্যামামলার আসামিকে
পুলিশ হেফাজতে নির্মমভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
অপরদিকে পুলিশের দাবি, থানাহাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে
তার মৃত্যু হয়। নিহতের
নাম আজাহার আলী (৫০)। তার
বাড়ি নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্যাসিভিটা গ্রামে।
এদিকে তার লাশ নিয়ে মিছিল করে ওই গ্রামের কয়েকশ’ লোক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সমাবেশে আসে এবং মন্ত্রীর কাছে হত্যাকাণ্ডের বিচার চায়।
নিহতের ছেলে জহুরুল হক জানান, একটি হত্যামামলার আসামি ছিল তার বাবা আজাহার। নালিতাবাড়ী পুলিশ তাদের পরিবারের কাছে টাকা দাবি করে হত্যামামলার চার্জশিট থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য। টাকা না দেয়ার কারণে অতিরিক্ত নির্যাতনে তার বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জহুরুল দাবি করেন।
এ ঘটনায় শেরপুরের এএসপি সার্কেল সালাউদ্দিন শিকদার জানান, নির্যাতনে নয়—থানাহাজতে রিমান্ডের আসামি আজাহার হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সঙ্গে সঙ্গে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে মারা যায়। এ ঘটনায় নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে, পরে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন এবং বলেন, পুলিশ যদি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাহলে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া তিনি মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে অনুরোধ করেন ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার।
এদিকে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম হায়দার জানান, আসামি আজাহার আলী হত্যামামলার আসামি ছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে আনা হয়েছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানে সে মারা যায়।
নাম আজাহার আলী (৫০)। তার
বাড়ি নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্যাসিভিটা গ্রামে।
এদিকে তার লাশ নিয়ে মিছিল করে ওই গ্রামের কয়েকশ’ লোক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সমাবেশে আসে এবং মন্ত্রীর কাছে হত্যাকাণ্ডের বিচার চায়।
নিহতের ছেলে জহুরুল হক জানান, একটি হত্যামামলার আসামি ছিল তার বাবা আজাহার। নালিতাবাড়ী পুলিশ তাদের পরিবারের কাছে টাকা দাবি করে হত্যামামলার চার্জশিট থেকে নাম প্রত্যাহারের জন্য। টাকা না দেয়ার কারণে অতিরিক্ত নির্যাতনে তার বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জহুরুল দাবি করেন।
এ ঘটনায় শেরপুরের এএসপি সার্কেল সালাউদ্দিন শিকদার জানান, নির্যাতনে নয়—থানাহাজতে রিমান্ডের আসামি আজাহার হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সঙ্গে সঙ্গে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে মারা যায়। এ ঘটনায় নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে, পরে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন এবং বলেন, পুলিশ যদি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাহলে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া তিনি মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে অনুরোধ করেন ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার।
এদিকে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম হায়দার জানান, আসামি আজাহার আলী হত্যামামলার আসামি ছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে আনা হয়েছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানে সে মারা যায়।
0 comments:
Post a Comment