Searching...

Popular Posts

Saturday, August 3, 2013

ছয় মাস আগেই হত্যার পরিকল্পনা হয়

12:54 AM
  Untitled-19ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খানকে হত্যার জন্য ছয় মাস আগে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। রাজধানীর ইস্কাটনে এ হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেন, ইস্কাটনে ওই বৈঠকে রিয়াজুল হত্যায় গ্রেপ্তার ও ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত যুবলীগ দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ সিদ্দিকী তারেক ছাড়াও মতিঝিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, বাড্ডা অঞ্চলের শাখাওয়াত হোসেনসহ বেশ কয়েকজন ছিলেন। এর আগেও তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।র‌্যাব জানায়, ওই দিন ঘটনাস্থলে তারেকসহ ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিলেন তারেক ও শাখাওয়াত। তারেক ছাড়াও মো. সোহেল ও পাপ্পু নামের দুজন রিয়াজুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। হত্যায় মোট চারটি রিভলবার ব্যবহূত হয়। ওই তিনজন ছাড়াও কিছুটা দূরে থাকা আরেক ব্যক্তির কাছে রিভলবার ছিল। ঘটনার সময় আশপাশে হইচই শুরু হলে ওই ব্যক্তি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। আর তখনই পালানোর জন্য মোটরসাইকেলের পেছনে ওঠেন তারেক। ওই ব্যক্তির ছোড়া গুলি তারেকের পায়ে লাগে। তবে বিপণিবিতানের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতার বাইরে যাওয়ার পর তারেক গুলিবিদ্ধ হন। এ কারণে ভিডিও ফুটেজে তা ধরা পড়েনি।র‌্যাব জানায়, ক্রসফায়ারের আগে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারেক র‌্যাবকে জানিয়েছিলেন, তাঁরা ব্যবহূত অস্ত্রগুলো গুলশানেই রেখে চিকিৎ সার জন্য উত্তরায় চলে যান। অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা যায়নি।গত সোমবার গভীর রাতে গুলশান ১ নম্বরে ‘শপার্স ওয়ার্ল্ড’ নামের একটি বিপণিবিতানে ঢোকার আগমুহূর্তে উপর্যুপরি গুলি করে রিয়াজুলকে হত্যা করা হয়।র‌্যাব জানায়, ভিডিও ফুটেজে সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি পরা যে লোকটি প্রথম রিয়াজুলকে গুলি করেছেন, তিনিই তারেক। দলীয় ও ব্যক্তিগত কোন্দলের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে র‌্যাবের ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন তারেকসহ দুজন।তবে এই ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রিয়াজুলের পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতা জাহিদুল ইসলাম ও যুবলীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম আরিফের নির্দেশ ও পরিকল্পনায় রিয়াজুলকে হত্যা করা হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীদের রক্ষা করতেই তারেককে মেরে ফেলা হয়েছে।এদিকে গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনকে বুধবার ছয় দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তবে জাহিদুল, ওয়াহিদুল, শাখাওয়াতসহ অনেকেই এখনো ধরা পড়েননি।র‌্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান বলেন, নতুন করে দুজন সন্দেহভাজনকে ধরা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে নাম বলা যাচ্ছে না। ঘটনায় জড়িত সবাইকে অচিরেই গ্রেপ্তার করা হবে।

0 comments:

Post a Comment