ছোট মরিচে যেমন ঝাল বেশি, তেমনি অনেক ছোট শব্দের গুরুত্বও বেশি। যেমন ঈদ।
ছোট একটা শব্দ, কিন্তু শুনলেই কেমন যেন খুশি খুশি লাগে! আর কয়েক দিন পরই
আসছে সেই বহু কাঙ্ক্ষিত খুশির ঈদ। আর এখন ঈদের শপিং করলে প্রায় প্রতিটি
শপিং কমপ্লেক্সেই উপহার হিসেবে দিচ্ছে সবার প্রিয় কুপন। সেই কুপনের ড্র
কবে কোথায় হবে, আদৌ হবে কি না, তা কেউ নিশ্চিতভাবে না জানলেও কুপন নিতে
এবং যত্ন করে তা কুপন বক্সে ফেলতে কেউ ভুল করে না। আহা, এভাবে যদি ময়লা,
আবর্জনাগুলো সবাই ডাস্টবিনে ফেলত! যা-ই হোক, উপহার থাক আর না থাক, ঈদের
বাজার এখন গরম! এমনিতেই আবহাওয়া গরম, তার ওপর দেশের অস্থির রাজনৈতিক
পরিস্থিতি তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়িয়ে দিয়েছে।
আর মানুষের ভিড়, রাস্তার যানজট তো আছেই। আর আছে জিনিসপত্রের চড়া দাম। সব মিলিয়ে চরম গরম অবস্থা।
মানুষের ভিড় যে কমবে, সে উপায়ও নেই। অধিকাংশ শপিংব্যাগেই লেখা থাকে, ‘ধন্যবাদ, আবার আসবেন।’ তাই ভদ্রতার খাতিরে হলেও ক্রেতাকে আবার আসতে হয়। ভিড় কমবে কী করে? তা ছাড়া ভিড় বাড়াতে টিভি চ্যানেলগুলোরও ভূমিকা আছে। অনেকে ভাবেন, ‘চ্যানেলগুলো যদি ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০ দিনের বিশেষ পোশাক কিনতে পারব না?’ তাই তাঁরা সাত-আটটা ড্রেস কিনতে নিয়মিত মার্কেটে আসেন।
ভিড় যায় বেড়ে।
তবে কর্তৃপক্ষ চাইলে কোটা পদ্ধতির মতো কোনো পদ্ধতি চালু করে ভিড় কমাতে পারে। যাঁদের বয়স চল্লিশের বেশি, তাঁরা শপিং করবেন সকালে, যাঁদের চল্লিশের কম তাঁরা রাতে, কিংবা যাঁদের ওজন ৮০ কেজির বেশি, তাঁরা অমুক মার্কেটে, যাঁদের ৮০ কেজির কম তাঁরা তমুক মার্কেটে—এ ধরনের কিছু পদক্ষেপ নিলে ভিড়, যানজট দুটোই কমবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এসব নিয়ে ভাবছে না। তারাও বোধ হয় শপিং নিয়ে ব্যস্ত। তাহলে আমরা এত কথা বলছি কেন? কথা শেষ। শপিং শুরু।
মানুষের ভিড় যে কমবে, সে উপায়ও নেই। অধিকাংশ শপিংব্যাগেই লেখা থাকে, ‘ধন্যবাদ, আবার আসবেন।’ তাই ভদ্রতার খাতিরে হলেও ক্রেতাকে আবার আসতে হয়। ভিড় কমবে কী করে? তা ছাড়া ভিড় বাড়াতে টিভি চ্যানেলগুলোরও ভূমিকা আছে। অনেকে ভাবেন, ‘চ্যানেলগুলো যদি ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করতে পারে, তাহলে আমরা কেন ১০ দিনের বিশেষ পোশাক কিনতে পারব না?’ তাই তাঁরা সাত-আটটা ড্রেস কিনতে নিয়মিত মার্কেটে আসেন।
ভিড় যায় বেড়ে।
তবে কর্তৃপক্ষ চাইলে কোটা পদ্ধতির মতো কোনো পদ্ধতি চালু করে ভিড় কমাতে পারে। যাঁদের বয়স চল্লিশের বেশি, তাঁরা শপিং করবেন সকালে, যাঁদের চল্লিশের কম তাঁরা রাতে, কিংবা যাঁদের ওজন ৮০ কেজির বেশি, তাঁরা অমুক মার্কেটে, যাঁদের ৮০ কেজির কম তাঁরা তমুক মার্কেটে—এ ধরনের কিছু পদক্ষেপ নিলে ভিড়, যানজট দুটোই কমবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এসব নিয়ে ভাবছে না। তারাও বোধ হয় শপিং নিয়ে ব্যস্ত। তাহলে আমরা এত কথা বলছি কেন? কথা শেষ। শপিং শুরু।
0 comments:
Post a Comment