স্টাফ রিপোর্ট: রাজধানীর পুরান ঢাকায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের গোলাগুলিতে এক কিশোর আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
মাথায় গুলিবিদ্ধ মো. সায়মনকে (১৪) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সূত্রাপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতের ওই সংঘষের্র ঘটনায় সায়মনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বুধবার সকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
জাহাঙ্গীর হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীবাজারের বাসা থেকে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে বের হয় সায়মন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীবাজার ডিআইটি মার্কেটের সামনে দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তার মাথায় গুলি লাগে।
ওসি রফিকুল জানান, ডিআইটি মার্কেটে ঈদ মেলায় নাগর দোলায় উঠার সময় এক তরুণীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবলীগ কর্মীর ধাক্কা লাগে। ওই তরুণী বিষয়টি তার পরিচিত এক ছাত্রলীগ কর্মীকে জানালে কয়েকজনকে নিয়ে তিনি সেখানে ফিরে আসেন।
“এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি সায়মনের মাথায় লাগে।”
ছেলেটির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান ওসি।
মামলার আসামিদের পরিচয় জানতে চাইলে ওসি বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে এখন নাম বলা যাচ্ছে না।
মাথায় গুলিবিদ্ধ মো. সায়মনকে (১৪) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সূত্রাপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতের ওই সংঘষের্র ঘটনায় সায়মনের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন বুধবার সকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
জাহাঙ্গীর হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীবাজারের বাসা থেকে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে বের হয় সায়মন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীবাজার ডিআইটি মার্কেটের সামনে দুই পক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তার মাথায় গুলি লাগে।
ওসি রফিকুল জানান, ডিআইটি মার্কেটে ঈদ মেলায় নাগর দোলায় উঠার সময় এক তরুণীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবলীগ কর্মীর ধাক্কা লাগে। ওই তরুণী বিষয়টি তার পরিচিত এক ছাত্রলীগ কর্মীকে জানালে কয়েকজনকে নিয়ে তিনি সেখানে ফিরে আসেন।
“এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি সায়মনের মাথায় লাগে।”
ছেলেটির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান ওসি।
মামলার আসামিদের পরিচয় জানতে চাইলে ওসি বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে এখন নাম বলা যাচ্ছে না।
0 comments:
Post a Comment