ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর-চকচকিয়া সড়কের পাশের জমি থেকে গত রবিবার পুলিশ
চায়নার লাশ উদ্ধার করে। ময়না তদন্ত শেষে গতকাল সোমবার পারিবারিক কবরস্থানে
তার লাশ দাফন করা হয়েছে। কয়েক মাস আগে উপজেলার চরভাঙ্গুড়া গ্রামের আব্দুল
মান্নানের পুত্র মনিরুল ইসলামের সাথে চায়নার বিয়ে হয়। গতমাসে যৌতুকের ৩০
হাজার ও গহনার জন্য ৪০ হাজার মোট ৭০ হাজার টাকা জামাতার হাতে তুলে দিয়ে
যৌতুকের শর্ত পূরণ করা হয়। চায়নার পিতা হানেফ মোল্লা জানান, বিভিন্ন সময়
নগদ টাকা ও গহনার জন্য চায়নার শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগ করে আসছে।
ঈদের দু'দিন আগে মেয়ে-জামাই বেড়াতে আসে। গহনা তৈরি না হওয়ায় ঈদের আগেরদিন
জামাই কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। ঈদের পরেরদিন শনিবার বিকালে মোবাইল
ফোনে ভাঙ্গুড়া মার্কেটে যাবার নাম করে মোটর সাইকেলযোগে স্ত্রীকে নিয়ে
বের হয়ে রাতে বাড়িতে ফিরে আসেনি। রাতে চায়নার পরিবার থেকে মনিরুলের
মোবাইলে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। রবিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে
তার লাশ উদ্ধার করে। ফরিদপুর থানার ওসি এসএম ফারুক হোসেন জানান, চায়নাকে
শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে চায়নার বাবা থানায় একটি হত্যা
মামলা করেছেন।
যৌতুকের বলি চায়না খাতুন
4:01 AM
Labels:
Women rape
0 comments:
Post a Comment