দুপুরে গোসলখানায় মগ পাওয়া যাচ্ছিল না। এনিয়ে তার ছোট ছেলে লিটনের সঙ্গে বড় ছেলে আবু সাঈদের স্ত্রী সীমির ঝগড়া হয়। এর এক পর্যায়ে লিটন তার ভাবি সীমির পিঠে ও ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করে। এতে সীমি গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।
বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, খুনের ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
0 comments:
Post a Comment