পাকিস্তান
ও আফগানিস্তানে টানা বর্ষণজনিত বন্যায় গৃহহীন হয়েছেন শত শত মানুষ। গত
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের ফলে পূর্ব আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে যে
মৌসুমী বন্যা দেখা দিয়েছে তাতে অন্তত ৮০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। — খবর
বিসিসি ও ডন ডটকমের।
আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বন্যায় রাজধানী কাবুলের কাছে সারোবিতেই ৩৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের করাচীতে বন্যার কারণে ১৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আফগান কর্মকর্তারা বলছেন, পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী আফগানিস্তানের খায়বার পাখতুনখোয়া প্রদেশ এই বন্যায় মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছে। রাজধানী কাবুলের পূর্বে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল সারোবি জেলায় এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং শত শত মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বন্যার ফলে সেখানকার শত শত হেক্টর ফসলী জমি বিনষ্ট হয়েছে। আক্রান্ত এলাকাতে জরুরি ত্রাণ ও চিকিত্সা সেবা দেয়ার জন্য বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, করাচীতে রাস্তাঘাট থেকে বন্যার পানি সরানোর কাজে ইতিমধ্যেই দেশটির সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে। বন্যার পানি আর সুয়ারেজ সংযোগগুলোর পানি জমে অনেক রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক এলাকাতেই এখনো পর্যন্ত বিদ্যুত্ সংযোগ পুনঃস্থাপিত হয়নি। বাড়িঘর ধসে এবং বিদ্যুত্স্পৃস্ট হয়ে সেখানে এ পর্যন্ত ১৯ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। গত তিন বছর ধরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের ঐ এলাকাটিতে মৌসুমী বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে চলেছে।
বেলুচিস্তান প্রদেশের তথ্যমন্ত্রী কামার মাসুদ জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত কয়েকটি দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। বেলুচিস্তানের ঝল মাগসি, হাব, নাসিরাবাদ, জাফ্ফরাবাদ, সিবি, বোলান ও অপর কয়েকটি জায়গায় প্রবল বৃষ্টিপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে বলে জানান তিনি। পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগের তথ্যানুযায়ী, পরবর্তী ২৪ ঘন্টায়ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বন্যায় রাজধানী কাবুলের কাছে সারোবিতেই ৩৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের করাচীতে বন্যার কারণে ১৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আফগান কর্মকর্তারা বলছেন, পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী আফগানিস্তানের খায়বার পাখতুনখোয়া প্রদেশ এই বন্যায় মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছে। রাজধানী কাবুলের পূর্বে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল সারোবি জেলায় এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং শত শত মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বন্যার ফলে সেখানকার শত শত হেক্টর ফসলী জমি বিনষ্ট হয়েছে। আক্রান্ত এলাকাতে জরুরি ত্রাণ ও চিকিত্সা সেবা দেয়ার জন্য বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, করাচীতে রাস্তাঘাট থেকে বন্যার পানি সরানোর কাজে ইতিমধ্যেই দেশটির সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে। বন্যার পানি আর সুয়ারেজ সংযোগগুলোর পানি জমে অনেক রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক এলাকাতেই এখনো পর্যন্ত বিদ্যুত্ সংযোগ পুনঃস্থাপিত হয়নি। বাড়িঘর ধসে এবং বিদ্যুত্স্পৃস্ট হয়ে সেখানে এ পর্যন্ত ১৯ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। গত তিন বছর ধরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের ঐ এলাকাটিতে মৌসুমী বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে চলেছে।
বেলুচিস্তান প্রদেশের তথ্যমন্ত্রী কামার মাসুদ জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত কয়েকটি দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। বেলুচিস্তানের ঝল মাগসি, হাব, নাসিরাবাদ, জাফ্ফরাবাদ, সিবি, বোলান ও অপর কয়েকটি জায়গায় প্রবল বৃষ্টিপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে বলে জানান তিনি। পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগের তথ্যানুযায়ী, পরবর্তী ২৪ ঘন্টায়ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
0 comments:
Post a Comment