ঈদ আনন্দের উত্সব। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে মহা আনন্দে উত্সব উদ্যাপনের
জন্য মানুষ শহর ছেড়ে গ্রাম-মফস্বলে যায়। দেশজুড়ে আনন্দময় উত্সবের এই
আবহে হঠাত্ কোথাও কোথাও নেমে আসে সীমাহীন দুঃখশোক। হ্যাঁ, এবার ঈদুল ফিতর
উত্সবের আগে-পরের চার দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আমরা
হারিয়েছি ৪৩ জন মানুষকে। এই আকস্মিক মৃত্যুগুলো অনেক পরিবারকে ভাসিয়েছে
শোকের সাগরে। শুধু তা-ই নয়, অনেক পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি
দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার কারণে সেসব পরিবারের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে
পড়েছে।
দুর্ঘটনা সব সময়ই দুর্ঘটনা। কিন্তু চার দিনে ৪৩ জন মানুষের প্রাণ হারানো, অন্তত ২১০ জনের আহত হওয়া সাধারণ ব্যাপার নয়। এই দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা গেছেন একই পরিবারের নয়জন সদস্য।
রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানা রকম গোলযোগে পাঁচ-দশজন মানুষের মৃত্যু হলে দেশজুড়ে মানুষ বেশ নাড়া খেয়ে যায়। অবশ্যই তা নাড়া খাওয়ার বিষয়; কারণ প্রত্যেক মানুষের প্রাণ অমূল্য। কিন্তু প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় কত মানুষের প্রাণ ঝরে যায়, সেদিকে আমরা তেমন খেয়াল করি না। প্রতিদিনের মোট মৃত্যুর হিসাবও আমাদের সামনে থাকে বলে গুরুত্ব সহজে উপলব্ধি করা হয় না। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা আসলেই এ দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় ঘটছে। আর ঈদের মতো উত্সবগুলোর আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
কিন্তু এত ব্যাপক মাত্রার দুর্ঘটনা কি আসলেই অনিবার্য? মোটেও তা নয়। অনেক দুর্ঘটনাই এড়ানো সম্ভব, যদি আমরা আরেকটু সচেতন ও সতর্ক হই। যানবাহনের চালকদের মধ্যে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতা বিরাট এক সমস্যা; ঈদের সময় এই প্রবণতা যেন লাগামছাড়া হয়ে ওঠে। উপরন্তু অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার ফলেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কে কার আগে যাবে—এই প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে প্রাণঘাতী। তা ছাড়া মহাসড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।
কিন্তু এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না। ঈদের সময় মহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও চালকদের সতর্কতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
দুর্ঘটনা সব সময়ই দুর্ঘটনা। কিন্তু চার দিনে ৪৩ জন মানুষের প্রাণ হারানো, অন্তত ২১০ জনের আহত হওয়া সাধারণ ব্যাপার নয়। এই দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা গেছেন একই পরিবারের নয়জন সদস্য।
রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানা রকম গোলযোগে পাঁচ-দশজন মানুষের মৃত্যু হলে দেশজুড়ে মানুষ বেশ নাড়া খেয়ে যায়। অবশ্যই তা নাড়া খাওয়ার বিষয়; কারণ প্রত্যেক মানুষের প্রাণ অমূল্য। কিন্তু প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় কত মানুষের প্রাণ ঝরে যায়, সেদিকে আমরা তেমন খেয়াল করি না। প্রতিদিনের মোট মৃত্যুর হিসাবও আমাদের সামনে থাকে বলে গুরুত্ব সহজে উপলব্ধি করা হয় না। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা আসলেই এ দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় ঘটছে। আর ঈদের মতো উত্সবগুলোর আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
কিন্তু এত ব্যাপক মাত্রার দুর্ঘটনা কি আসলেই অনিবার্য? মোটেও তা নয়। অনেক দুর্ঘটনাই এড়ানো সম্ভব, যদি আমরা আরেকটু সচেতন ও সতর্ক হই। যানবাহনের চালকদের মধ্যে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতা বিরাট এক সমস্যা; ঈদের সময় এই প্রবণতা যেন লাগামছাড়া হয়ে ওঠে। উপরন্তু অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার ফলেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কে কার আগে যাবে—এই প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে প্রাণঘাতী। তা ছাড়া মহাসড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।
কিন্তু এভাবে আর চলতে দেওয়া যায় না। ঈদের সময় মহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও চালকদের সতর্কতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
0 comments:
Post a Comment