জানা গেছে, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়
এক কিশোরীকে ৯ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে গণধর্ষণ করেছে ৯ বখাটে। ওই কিশোরীকে
উদ্ধারের পর অবশেষে মঙ্গলবার মামলা করা হয়েছে।
ঠেটালিয়া গ্রামের মৃত হাজী সুলতান বেপারীর
ছেলে মোহন, মান্নান মেম্বারের ছেলে জামাল, আরশাদ বেপারীর ছেলে রহমত আলী,
ঠেটালিয়ার কামরুল, ফতেপুর গ্রামের শাহআলম সিকদারের ছেলে রিগান, আবরা আলী,
ঠেটালিয়ার কালু সরকারের ছেলে সাইফুল সরকার, ফতেপুরের হাবুল বেপারীর ছেলে
চায়না রুবেল ও লুধুয়া গ্রামের শফিককে মামলার আসামি করে মতলব উত্তর থানায়
মামলা করে।
ধর্ষিতার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২১
জুলাই সকালে নিজবাড়ি সুলতানাবাদ ইউনিয়নের বড় লক্ষ্মীপুর গ্রাম থেকে
সাহেববাজার যাচ্ছিল সে। পথে ধনাগোদা নদী পার হওয়ার পর টরকী লঞ্চঘাট
বেড়িবাঁধের ওপর পৌঁছলে ঠেটালিয়া গ্রামের মোহন, জামাল, রহমত ও শফিক তাকে জোর
করে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে টরকী গ্রামে শফিকের নানির বাড়ি নিয়ে যায়।
সেখানে মোহনের স্ত্রী পরিচয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে একইদিন রাতে মোহন ও রহমত তাকে ধর্ষণ করে।
পরে ২৩ জুলাই সকালে জামাল স্ত্রী পরিচয়ে
তাকে লুধুয়া গ্রামে তার কথিত ভাবির বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে রাতে জামাল ও
কামরুল তাকে গণধর্ষণ করে।
পরে ২৫ জুলাই রাতে জামাল ও রহমত তাকে মোহনের কাছে তুলে দেয়। সেখানে সাইফুল ও রিগান মিলে তাকে ধর্ষণ করে।
পরদিন ২৬ জুলাই রাতে চায়না রুবেলের
লুধুয়ার মুরগির খামারে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। সবশেষে সোমবার ভোরে
ধর্ষণকারীরা টরকী লঞ্চঘাটে ধর্ষিতাকে রেখে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে মতলব উত্তর থানায় হাজির হয়ে মামলা করেন।
তবে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ খান
মো. এরফান বলেন, ওই কিশোরী ৯ দিন নিখোঁজ থাকলেও তার অভিভাবকরা কোন ধরনের
নিখোঁজ ডায়েরি করেনি।
মেয়েটি উদ্ধার হওয়ায় অপহরণ ও গণধর্ষণ মামলা করা হয়েছে।
এদিকে ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
0 comments:
Post a Comment