কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফয়েজগঞ্জে ছাত্রশিবির ও
আওয়ামী লীগকর্মীদের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। জামায়াতের
ডাকা হরতালের দ্বিতীয়দিন সকাল ছয়টায় কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কে সদর
দক্ষিণ উপজেলার ফয়েজগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ছয়টায় জামায়াত-শিবিরকর্মীরা হরতালের সমর্থনে সড়কে অবস্থান নেয় এবং পিকেটিং ও মিছিল করে। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকর্মীরা শিবিরকর্মীদের ধাওয়া করার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ছাত্রশিবির কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদিন বলেন, “ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগ বিনা উস্কানিতে হামলা চালায়।”
এদিকে হরতালের সমর্থনে জেলার দাউদকান্দি, চান্দিনা, বুড়িচং, নিমসার, সৈয়দপুর, দেবীদ্বার, মনোহরগঞ্জ, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোটে সড়ক অবরোধ, টায়ারে আগুন দেয় শিবিরকর্মীরা। কোথাও কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
হরতালে কুমিল্লার তিনটি বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। মহাসড়কেও ভারী যানবাহন লক্ষ্য করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ছয়টায় জামায়াত-শিবিরকর্মীরা হরতালের সমর্থনে সড়কে অবস্থান নেয় এবং পিকেটিং ও মিছিল করে। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকর্মীরা শিবিরকর্মীদের ধাওয়া করার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ছাত্রশিবির কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদিন বলেন, “ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগ বিনা উস্কানিতে হামলা চালায়।”
এদিকে হরতালের সমর্থনে জেলার দাউদকান্দি, চান্দিনা, বুড়িচং, নিমসার, সৈয়দপুর, দেবীদ্বার, মনোহরগঞ্জ, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোটে সড়ক অবরোধ, টায়ারে আগুন দেয় শিবিরকর্মীরা। কোথাও কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
হরতালে কুমিল্লার তিনটি বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। মহাসড়কেও ভারী যানবাহন লক্ষ্য করা যায়নি।
0 comments:
Post a Comment