চারদিন ধরে বিদ্যুত্ সরবরাহ না থাকায় ভোলায় বিক্ষোভ, বিদ্যুত্ অফিস
ঘেরাও ও হামলা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। গতকাল দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ
গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রসঙ্গত শনিবার রাতে ভোলার গ্যাসভিত্তিক ৩৪ দশমিক পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতা-সম্পন্ন রেন্টাল বিদ্যুত্ প্লান্ট বিকল হওয়ায় উপজেলার লাখো গ্রাহক বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে। এতে গত চারদিন ধরে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ বিছিন্ন রয়েছে। এদিকে বিকল হয়ে যাওয়া বিদ্যুত্ প্লান্ট কবে নাগাদ চালু করা যাবে তাও বিদ্যুত্ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করে বলতে না পারায় গ্রাহকের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা কয়েক দফা বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাও করেও কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় গতকাল জেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে এ মিছিল
থেকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা চার দিন ধরে বিদ্যুত্ না থাকায় অতিষ্ঠ গ্রাহকরা গতকাল দুপুরে জেলা সদরে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় শত শত গ্রাহক মিছিল নিয়ে শহরের কালীনাথ রায়ের বাজারে ওজোপাডিকো কার্যালয়ের দিকে যান। শত শত স্থানীয় ব্যবসায়ী মিছিলে অংশ নেন।
পরে মিছিলকারীরা ওজোপাডিকো কার্যালয় ঘেরাও করে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এর একপর্যায়ে মিছিল থেকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ভোলার ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ওজোপাডিকোর জিএম আবুল কালাম আজাদ তাকে বরখাস্ত করেন।
দীর্ঘদিন থেকে জাতীয় গ্রিড লাইনে বিদ্যুত্ বিপর্যয় থাকার পরও এবং ভোলার নিজস্ব বিদ্যুেকন্দ্র বিকল থাকলেও সচল করার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ না নেয়ার অভিযোগ রয়েছে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। নতুন প্রকৌশলী জিএম মাহমুদ প্রধান সোমবার রাতেই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পরিচালক তপন কুমার, ম্যানেজার শান্তিরঞ্জন ও ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) চিফ ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম সোমবার জেলার সার্বিক বিদ্যুত্ পরিস্থিতি ও গ্রিড লাইন পরিদর্শন করেছেন।
ভোলা ওজোপাডিকো উপ-সহকারী প্রকৌশলী দুলাল চন্দ্র ঘোষ জেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।
প্রসঙ্গত শনিবার রাতে ভোলার গ্যাসভিত্তিক ৩৪ দশমিক পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতা-সম্পন্ন রেন্টাল বিদ্যুত্ প্লান্ট বিকল হওয়ায় উপজেলার লাখো গ্রাহক বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে। এতে গত চারদিন ধরে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ বিছিন্ন রয়েছে। এদিকে বিকল হয়ে যাওয়া বিদ্যুত্ প্লান্ট কবে নাগাদ চালু করা যাবে তাও বিদ্যুত্ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করে বলতে না পারায় গ্রাহকের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা কয়েক দফা বিদ্যুত্ অফিস ঘেরাও করেও কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় গতকাল জেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পরে এ মিছিল
থেকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা চার দিন ধরে বিদ্যুত্ না থাকায় অতিষ্ঠ গ্রাহকরা গতকাল দুপুরে জেলা সদরে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় শত শত গ্রাহক মিছিল নিয়ে শহরের কালীনাথ রায়ের বাজারে ওজোপাডিকো কার্যালয়ের দিকে যান। শত শত স্থানীয় ব্যবসায়ী মিছিলে অংশ নেন।
পরে মিছিলকারীরা ওজোপাডিকো কার্যালয় ঘেরাও করে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এর একপর্যায়ে মিছিল থেকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ভোলার ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ওজোপাডিকোর জিএম আবুল কালাম আজাদ তাকে বরখাস্ত করেন।
দীর্ঘদিন থেকে জাতীয় গ্রিড লাইনে বিদ্যুত্ বিপর্যয় থাকার পরও এবং ভোলার নিজস্ব বিদ্যুেকন্দ্র বিকল থাকলেও সচল করার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ না নেয়ার অভিযোগ রয়েছে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। নতুন প্রকৌশলী জিএম মাহমুদ প্রধান সোমবার রাতেই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পরিচালক তপন কুমার, ম্যানেজার শান্তিরঞ্জন ও ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) চিফ ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম সোমবার জেলার সার্বিক বিদ্যুত্ পরিস্থিতি ও গ্রিড লাইন পরিদর্শন করেছেন।
ভোলা ওজোপাডিকো উপ-সহকারী প্রকৌশলী দুলাল চন্দ্র ঘোষ জেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।
0 comments:
Post a Comment