মেঘনা
ও পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের হাত থেকে চাঁদপুর সেচ প্রকল্প ও মেঘনা ধনাগোদা সেচ
প্রকল্পসহ চাঁদপুর জেলার ৩টি উপজেলা ও চাঁদপুর শহর রক্ষাকল্পে সরকার
কয়েকশ' কোটি টাকা ব্যয়ে সংরক্ষণ বাঁধ দিয়েছেন। অথচ কতিপয় বলগেট, কার্গো,
ইঞ্জিনচালিত নৌকার মালিক ও চালকরা তাদের খেয়াল-খুশিমত এসব নৌ-যান বাঁধের
উপর নোঙ্গর করার দরুন তীরের ন্যায় লোহার আঘাতে নদীর পাড়ে পানিতে স্থাপিত
বালিভর্তি জিইও ব্যাগগুলো ছিঁড়ে যাচ্ছে। অপরদিকে সিসি ব্লকগুলো সরে গিয়ে
বাঁধে বড় বড় ফাটল হচ্ছে। ফলে এতে ধস দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থাটি চলছে মতলব
উত্তর উপজেলার মোহনপুর থেকে চাঁদপুর শহর হয়ে দক্ষিণে হাইমচর উপজেলার
চরভৈরবী এলাকায় প্রায় ৬০ মাইল জুড়ে মেঘনা-পদ্মার পাড়ে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর, সাখুয়া এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড, মেঘনা তীর সংরক্ষণ করার জন্য প্রায় ৪০ কোটি টাকার সংরক্ষণ বাঁধা নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যে এসব বাঁধের প্রায় ৯৫% কাজ শেষ হয়েছে। অথচ এ নতুন বাঁধের সীমানায় লক্ষ্মীপুর, ইব্রাহীমপুর, সাখুয়া ইত্যাদি এলাকায় প্রতিদিন ১০/১২টি বলগেট কার্গো বালি উত্তোলন করছে এবং এসব নৌ-যান সদ্য তৈরিকৃত বাঁধের উপর এসে এলোপাতাড়ি নোঙ্গর করে দিনরাত অবস্থান করছে। এ ব্যাপারে তাদের বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা কোন কর্ণপাত করছে না। ফলে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে যে বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে, তা শেষ না হতেই বিরাট ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জীবন কৃষ্ণদাস গত ২৬ জুন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর, সাখুয়া এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড, মেঘনা তীর সংরক্ষণ করার জন্য প্রায় ৪০ কোটি টাকার সংরক্ষণ বাঁধা নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যে এসব বাঁধের প্রায় ৯৫% কাজ শেষ হয়েছে। অথচ এ নতুন বাঁধের সীমানায় লক্ষ্মীপুর, ইব্রাহীমপুর, সাখুয়া ইত্যাদি এলাকায় প্রতিদিন ১০/১২টি বলগেট কার্গো বালি উত্তোলন করছে এবং এসব নৌ-যান সদ্য তৈরিকৃত বাঁধের উপর এসে এলোপাতাড়ি নোঙ্গর করে দিনরাত অবস্থান করছে। এ ব্যাপারে তাদের বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা কোন কর্ণপাত করছে না। ফলে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে যে বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে, তা শেষ না হতেই বিরাট ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জীবন কৃষ্ণদাস গত ২৬ জুন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
0 comments:
Post a Comment