পাচারকারীদের খপ্পর থেকে পালিয়ে রক্ষা পেল রংপুরের ১২ শিশু। গত ৩১ জুলাই
বাড়ি থেকে বের হয়ে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত শুক্রবার রাতে তারা
রংপুরে এসে পৌঁছায়। পাচারকারীর খপ্পরে পড়া শিশুদের মধ্যে ১ জনের নাম ও
পরিচয় পাওয়া গেছে।
জানা যায়, রংপুর নগরীর মুলাটোল এলাকার মুলাটোল মদিনাতুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসার আরবী শিক্ষক আকরাম হোসেন গত ৩১ জুলাই একই এলাকার মৃত ফেলু ফকিরের স্ত্রী আরজিনা বেগমের মোবাইলে ফোন করে তার পুত্র মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র আনারুলকে নগরীর কামারপাড়াস্থ ঢাকা কোচস্ট্যান্ডে আসতে বলে। শিক্ষকের কথামত আরজিনা বেগম পুত্র আনারুলকে সেখানে পাঠিয়ে দেয়ার পর থেকেই সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনার পর আরজিনা বেগম কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
পাচারকারীদের খপ্পরে পড়া আনারুল জানায়, তার মতো ১২ জন শিশু ঢাকা কোচস্ট্যান্ডে ছিল। রাত ৪টায় তারা বাসে ওঠে। এ সময় প্রায় ৫০/৫৫ বছর বয়সী কাঁচাপাকা দাড়ি ও নীল পাগড়ি, জোব্বা পরিহিত মুন্না নামের এক লোক বাসে ওঠে এবং তাদের জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারে, তারা ঢাকার চকবাজার এলাকায় একটি বাসায় অবস্থান করছে। সেখানে পরদিন থেকে তাদের কুংফু কারাতের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। রাত হলেই আবার তাদের জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে রাখা হতো।
কতিপয় লোকের আলোচনা থেকে জানতে পারে টাকার বিনিময়ে তাদের পাচার করা হবে। ওই রাতে তাদের খাবার ও জুস খেতে দেয়া হলে তারা না খেয়ে অজ্ঞান হওয়ার ভান করে শুয়ে পড়ে। সবাই রাতে ঘুমিয়ে গেলে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে বাসে চড়ে এয়ারপোর্টে আসে। সেখান থেকে বগুড়ায় এবং পরে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে নামে। সেখান থেকে তারা যে যার যার বাসায় চলে যায়।
মুলাটোল মদিনাতুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, শিক্ষক আকরাম হোসেনের গতিবিধি রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে।
কোতয়ালী থানার ওসি সাহাবুদ্দীন খলিফা জানান, আনারুল নামে শিশু নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।
জানা যায়, রংপুর নগরীর মুলাটোল এলাকার মুলাটোল মদিনাতুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসার আরবী শিক্ষক আকরাম হোসেন গত ৩১ জুলাই একই এলাকার মৃত ফেলু ফকিরের স্ত্রী আরজিনা বেগমের মোবাইলে ফোন করে তার পুত্র মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র আনারুলকে নগরীর কামারপাড়াস্থ ঢাকা কোচস্ট্যান্ডে আসতে বলে। শিক্ষকের কথামত আরজিনা বেগম পুত্র আনারুলকে সেখানে পাঠিয়ে দেয়ার পর থেকেই সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনার পর আরজিনা বেগম কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
পাচারকারীদের খপ্পরে পড়া আনারুল জানায়, তার মতো ১২ জন শিশু ঢাকা কোচস্ট্যান্ডে ছিল। রাত ৪টায় তারা বাসে ওঠে। এ সময় প্রায় ৫০/৫৫ বছর বয়সী কাঁচাপাকা দাড়ি ও নীল পাগড়ি, জোব্বা পরিহিত মুন্না নামের এক লোক বাসে ওঠে এবং তাদের জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারে, তারা ঢাকার চকবাজার এলাকায় একটি বাসায় অবস্থান করছে। সেখানে পরদিন থেকে তাদের কুংফু কারাতের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। রাত হলেই আবার তাদের জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে রাখা হতো।
কতিপয় লোকের আলোচনা থেকে জানতে পারে টাকার বিনিময়ে তাদের পাচার করা হবে। ওই রাতে তাদের খাবার ও জুস খেতে দেয়া হলে তারা না খেয়ে অজ্ঞান হওয়ার ভান করে শুয়ে পড়ে। সবাই রাতে ঘুমিয়ে গেলে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে বাসে চড়ে এয়ারপোর্টে আসে। সেখান থেকে বগুড়ায় এবং পরে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে নামে। সেখান থেকে তারা যে যার যার বাসায় চলে যায়।
মুলাটোল মদিনাতুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, শিক্ষক আকরাম হোসেনের গতিবিধি রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে।
কোতয়ালী থানার ওসি সাহাবুদ্দীন খলিফা জানান, আনারুল নামে শিশু নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।
0 comments:
Post a Comment