পূর্ব
শক্রতার জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে মাগুরার শ্রীপুরে মো. আকমল হোসেন
(৪৮) নামের এক ব্যক্তির দু'হাতের কব্জি ও দু'পায়ের রগ কেটে দিয়েছে
সন্ত্রাসীরা। আহত আকমল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও
সারঙ্গদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী।
পরিবারের অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সারঙ্গদিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা খোন্দকার আশরাফুল ইসলাম নালিম ও তৈয়েবুর রহমান খান গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের আকমলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকমল রাতের খাবার খাওয়ার উদ্দেশে স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরছিল। সারঙ্গদিয়া গ্রামের ওয়াপদা খালের সুইচ গেটের কাছে পৌঁছালে বিএনপি নেতা নালিম-তৈয়েব গ্রুপের উজ্জল বিশ্বাস ও সামছু শেখ এর নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একদল সন্ত্রাসী তাকে ধরে নিয়ে ধাঁরাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দু'হাতের কব্জি ও দু'পায়ের রগ কর্তন করে ফেলে রেখে যায়। পরে আকমলের আত্মচিত্কারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শ্রীপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) বিপ্ল¬ব কুমার নাথ বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুস্কৃতিকারীদের আটক করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। দীর্ঘদিনের গ্রাম্য সামাজিক দ্বন্দ্বের কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। অভিযোগ পেলে দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিবারের অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সারঙ্গদিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা খোন্দকার আশরাফুল ইসলাম নালিম ও তৈয়েবুর রহমান খান গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের আকমলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকমল রাতের খাবার খাওয়ার উদ্দেশে স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরছিল। সারঙ্গদিয়া গ্রামের ওয়াপদা খালের সুইচ গেটের কাছে পৌঁছালে বিএনপি নেতা নালিম-তৈয়েব গ্রুপের উজ্জল বিশ্বাস ও সামছু শেখ এর নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একদল সন্ত্রাসী তাকে ধরে নিয়ে ধাঁরাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দু'হাতের কব্জি ও দু'পায়ের রগ কর্তন করে ফেলে রেখে যায়। পরে আকমলের আত্মচিত্কারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শ্রীপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) বিপ্ল¬ব কুমার নাথ বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুস্কৃতিকারীদের আটক করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। দীর্ঘদিনের গ্রাম্য সামাজিক দ্বন্দ্বের কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। অভিযোগ পেলে দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
0 comments:
Post a Comment