Searching...

Popular Posts

Wednesday, August 14, 2013

সদরপুরে পদ্মা-আড়িয়াল খাঁর ভাঙনকবলিত মানুষের মাঝে আসেনি ঈদ আনন্দ

4:48 AM
সদরপুর উপজেলার পদ্মা-আড়িয়াল খাঁয় ব্যাপক এলাকাজুড়ে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত ১৫ দিনে চরনাসির পুর ইউনিয়নের চৌধুরী হাটের প্রায় শতাধিক দোকান-পাট, কাড়াল কান্দিরহাটসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি মূল্যবান গাছপালাসহ কয়েকশ’ একর ফসলের মাঠ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে চরনাসিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আরও পাঁচ শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙনের হুমকির মুখে। এসব ভাঙনকবলিত এলাকার প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে এ বছর কোনো ঈদের আনন্দ হয়নি। তারা আর্থিক সংকটে পড়ে ভবিষ্যত্ ঠিকানার খোঁজে ছুটে বেড়াচ্ছে।
জানা গেছে, পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে সদরপুর উপজেলার আকটেরচর ইউনিয়নের শয়তান খালি, হাট, নারিকেলবাড়ীয়া, চর নাসিরপুর ইউনিয়নের কাড়ালকান্দি, জামাল শিকদারের কান্দি, চর নাসিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চৌধুরীহাট, খলিদাকান্দি, আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে কাজীকান্দি, জঙ্গীকান্দি, সুজাইমুন্সির কান্দি, মফিজাদ্দিনের কান্দি গ্রামের আশ্রয়কেন্দ্রসহ তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢেউখালী ইউনিয়নের চরবলাশিয়া, লঞ্চঘাট, চরআনাইড় ইউনিয়নের ঝিটকার মোড়, চানখাঁর কান্দি, কাজী কান্দি, ওয়াছেল মোল্লার কান্দি, কালাই মাতুব্বরের কান্দি ও গিয়াসউদ্দিন বেপারীর কান্দি গ্রামসহ ব্যাপক এলাকাজুড়ে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। দিন দিন ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণের মাঝে ভাঙনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। দিনের পর দিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকার জনগণের মাঝে ঈদের দিন ঈদ আনন্দ করতে পারেনি। নেই কোনো সরকারি সাহায্য। গত বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদরপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. লোকমান হোসেন ভাঙনকবলিত চরনাসিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলা ভবনটি নিলাম দেয়ার জন্য বিদ্যালয়ে ছুটে যান। তিনি অন্য টিনের ঘরগুলো জরুরি ভিত্তিতে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন ও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জনগণকে সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চর নাসিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. মজিবর রহমান মাতুব্বর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার ও ইউপি সদস্যরা।

0 comments:

Post a Comment