নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দীর্ঘ ৯ বছরেও চালু হয়নি শিক্ষা কার্যক্রম। ফলে
ওই এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে কিছু শিক্ষার্থী উপজেলা সদরের
বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও অধিকাংশই মাধ্যমিক শিক্ষা লাভের
সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে উপজেলার
জারিয়া ইউনিয়নের মৌদাম গ্রামে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমিক
শিক্ষাখাত মানোন্নয়ন প্রকল্পের (সেসিপ) আওতায় স্থানীয়ভাবে তিন ব্যক্তির দান
করা ১ একর ৩২ শতক জমির ওপর ওই বিদ্যালয় ভবনটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় এক
কোটি টাকা ব্যয়ে যার নির্মাণ কাজ ২০০৫ সালের জুলাই মাসে শেষ হয়। এ সময়
উল্লিখিত প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়ে পাঁচ লাখ টাকার আসবাবপত্রও দেয়া হয়।
কিন্তু বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে শুরুতেই দেখা দেয় দ্বন্দ্ব। ২০০৫
সালের ১১ নভেম্বর তত্কালীন বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রয়াত আলহাজ ডা.
মোহাম্মদ আলী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের প্রজ্ঞাপন অমান্য করে
বিধিবহির্ভূতভাবে তার পছন্দের লোক দিয়ে বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটি গঠন
করেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিলে জমিদাতাদের মধ্যে
একজন মো. তাহির উদ্দিন তালুকদার ওই কমিটিকে অনিয়মতান্ত্রিক ও অবৈধ উল্লেখ
করে কমিটির বিরুদ্ধে নেত্রকোনা সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে আদালত ২০০৭ সালে ওই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করলে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে
তত্কালীন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজানুর রহমান এলাকায়
এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারকে
সদস্য সচিব করে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন করেন। ওই
কমিটি বিদ্যালয়টি চালু করার লক্ষ্যে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের জন্য ২০০৮
সালের ১৭ নভেম্বর ও ২০০৯ সালের ২০ মার্চ পরপর দুবার পত্রিকায় নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। দুটি বিজ্ঞপ্তিতে ১২টি পদের বিপরীতে বৈধ ৫৮টি
আবেদনপত্র জমা পড়ে। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রহস্যজনক কারণে
নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়নি।
সম্প্রতি দেখা গেছে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনটিতে তালা ঝুলছে। অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে মূল্যবান আসবাবপত্র। বিদ্যালয়ের চারপাশের মূল্যবান থাই গ্লাসের জানালাগুলো ভেঙে যাচ্ছে। জমিদাতাদের মধ্যে একজন তাহির উদ্দিন তালুকদার বলেন, গ্রামে মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার শিক্ষা বিস্তারের কথা চিন্তা করে তিনিসহ তিনজন মিলে স্কুলটিকে ১ একর ৩২ শতক জমি দান করেছিলেন। কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে বিদ্যালয়টি চালু না হলেও ২০১২ সালে কমিটি গঠনের জন্য এলাকাবাসী মিলে জমিদাতাদের তিনজনকে একত্র করে একজনকে কমিটিতে রাখার জন্য লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা হলেও রহস্যজনক কারণে কমিটি গঠন বা শিক্ষা কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। এ ব্যাপারে পদাধিকারবলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি পূর্বধলায় যোগদান করে বিদ্যালয়টি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তুু ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে মতানৈক্যের কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
সম্প্রতি দেখা গেছে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনটিতে তালা ঝুলছে। অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে মূল্যবান আসবাবপত্র। বিদ্যালয়ের চারপাশের মূল্যবান থাই গ্লাসের জানালাগুলো ভেঙে যাচ্ছে। জমিদাতাদের মধ্যে একজন তাহির উদ্দিন তালুকদার বলেন, গ্রামে মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার শিক্ষা বিস্তারের কথা চিন্তা করে তিনিসহ তিনজন মিলে স্কুলটিকে ১ একর ৩২ শতক জমি দান করেছিলেন। কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে বিদ্যালয়টি চালু না হলেও ২০১২ সালে কমিটি গঠনের জন্য এলাকাবাসী মিলে জমিদাতাদের তিনজনকে একত্র করে একজনকে কমিটিতে রাখার জন্য লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা হলেও রহস্যজনক কারণে কমিটি গঠন বা শিক্ষা কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। এ ব্যাপারে পদাধিকারবলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি পূর্বধলায় যোগদান করে বিদ্যালয়টি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তুু ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে মতানৈক্যের কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
0 comments:
Post a Comment