আগামীকাল
১৫ আগস্ট বৃহষ্পতিবার স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস।
এ দিনটি যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করার লক্ষে জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তথ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শোক দিবসে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
আগামীকাল সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এ সময় বিশেষ মোনাজাত ও কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী জাতির পিতার পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য শহীদদের রাজধানীর বনানীস্থ কবরে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে সকাল ১০টায় পুস্পার্ঘ্য অর্পন করবেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে, ফাতেহা পাঠসহ বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও অস্বচ্ছল দুস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন শোক দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সমপ্রচারসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে পোস্টার, সচিত্র বাংলাদেশ'র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সাথে মিল রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।
এদিকে দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসন যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে দিবসটি পালনের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।
এছাড়া আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী, ভাতৃপ্রতিমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোচনা সভা, জাতীয় শোক দিবসের তাত্পর্য উল্লেখ করে কবিতা পাঠ, রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, পথনাটক, রক্তদান, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়ার আয়োজন করবে।
এ দিন সারা দেশে সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত্বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে।
এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা আগামী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা। খবর বাসসের।
এ দিনটি যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করার লক্ষে জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তথ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শোক দিবসে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
আগামীকাল সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এ সময় বিশেষ মোনাজাত ও কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী জাতির পিতার পরিবারের সদস্য ও অন্যান্য শহীদদের রাজধানীর বনানীস্থ কবরে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে সকাল ১০টায় পুস্পার্ঘ্য অর্পন করবেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে, ফাতেহা পাঠসহ বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও অস্বচ্ছল দুস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন শোক দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সমপ্রচারসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে পোস্টার, সচিত্র বাংলাদেশ'র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সাথে মিল রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।
এদিকে দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসন যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে দিবসটি পালনের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।
এছাড়া আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী, ভাতৃপ্রতিমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোচনা সভা, জাতীয় শোক দিবসের তাত্পর্য উল্লেখ করে কবিতা পাঠ, রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, পথনাটক, রক্তদান, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়ার আয়োজন করবে।
এ দিন সারা দেশে সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত্বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে।
এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা আগামী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা। খবর বাসসের।
0 comments:
Post a Comment