আলোচিত ওই প্রেমিক রাইপুল মিয়া (২৫) ও প্রেমিকা সালমা আক্তার শান্তাকে (১৪) শনিবার বাহুবল থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
বিবরণে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামের আব্দুল গফুরের ভাই আতর আলী বিয়ে করে লাখাই উপজেলার আমানুল্লাপুর গ্রামের লিয়াকত আলীর কন্যা ফারজু বেগমকে। এ সুবাদে স্বাভাবিকভাবেই শ্যালক রাইপুল মিয়া ভগ্নিপতির বাড়িতে আসা যাওয়া করে। এদিকে আতর আলীর ভাই আব্দুল গফুরের কন্যা সালমা আক্তার শান্তার সাথে রাইপুল মিয়ার গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সালমা বাহুবল উপজেলার মানবকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। এরই মধ্যে সালমা ও রাইপুলের প্রেমের বয়স দুই বছর পূর্ণ হয়।
জানা যায়, রাইপুল ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে। রোববার সে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরবে। আর তাই সালমাকে বলেছে- তুমি সকাল ১০টার মধ্যে বাহুবল পৌঁছবে। সালমা সকাল ৯টায় বাহুবল থানা গেইট সংলগ্ন একটি দোকানে বসে অপেক্ষা করতে থাকে রাইপুলের জন্য। কিন্তু বেলা ১২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও রাইপুল আসেনি। এসময় হঠাৎ হাজির হয় রাইপুলের বন্ধু সদর উপজেলার শরীফপুর গ্রামের তাজুল ইসলাম। সে সালমাকে নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় জনতার সন্দেহ হয়। বিষয়টি স্থানীয় জনতা পুলিশকে অবগত করলে এসআই দিদার উল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে যান।
সেখানে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এভাবে কেটে যায় কয়েক ঘন্টা - বিকেল ৪টা পর্যন্ত গড়ায় ঘটনা। এরপর আসল প্রেমিক রাইপুল থানায় হাজির হলে তাকে আটকে তাজুলকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। রাত ১০ টার পর প্রেমিক জুটির অভিভাবকগণ থানায় আসলে তারা বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চালান। রাত ১১টা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় বৈঠক শেষে মোটা অংকের রফাদফার মাধ্যমে প্রেমিকজুটি ছাড়া পায়। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
0 comments:
Post a Comment